এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি দেশের উপকূল দিয়ে ঢুকে স্থল নিম্নচাপ হয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে কক্সবাজারের। এরই প্রভাবে গত দুইদিন ধরে সারাদেশে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নিম্নচাপের প্রভাবে ঢাকায় শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিনভর বৃষ্টি হয়েছে, যা রাতেও অব্যাহত ছিল। বৃষ্টিপাতের এ ধারা রোববারও (১৫ সেপ্টেম্বর) অব্যাহত থাকতে পারে।
রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকায় ৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে পটুয়াখালীতে, ২২৩ মিলিমিটার।
সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, ঢাকাসহ সারাদেশে আজও বৃষ্টি থাকবে। কাল (সোমবার) থেকে কমতে পারে। সমুদ্র বন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে।
এদিকে, সারাদেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পানিতে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন অঞ্চল। তাতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ। অনেক এলাকার মানুষ নতুন করে আবার আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন। বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ভোগান্তি আরো বেড়েছে।
রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুশিয়ারী সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া দেশের অন্যত্র দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।








