ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুবিন গার্গের প্রয়াণের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনও তার মৃত্যু ঘিরে ধোঁয়াশা কাটেনি। কীভাবে এই কিংবদন্তী শিল্পীর জীবনাবসান ঘটল, তা জানতেই তদন্তে নেমেছে আসাম সরকার।
জুবিনের জীবনের শেষ সময়ে তার সঙ্গে ইয়টে থাকা ড্রামার শেখরজ্যোতি গোস্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি)। তাকে ইতোমধ্যেই পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জেরা শুরু হয়েছে।
তবে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী, কিংবা মামলা দায়ের হবে কি না—সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
১০ সদস্যের এই বিশেষ তদন্তকারী দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্পেশাল ডিজিপি এম. পি. গুপ্ত।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, জুবিনের শেষ সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কোনো অবহেলা বা গাফিলতির কারণে মৃত্যু হয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
এরই মধ্যে ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিক কর্মী শ্যামকানু মহন্তর ভূমিকাও তদন্তের আওতায় এসেছে। জানা গেছে, তিনি বিমানবন্দরের লাউঞ্জ থেকেই সিআইডির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং আত্মসমর্পণে রাজি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে, যদিও সেই তল্লাশির কারণ স্পষ্ট করেনি তদন্ত দল।
এছাড়া সিঙ্গাপুর আসাম অ্যাসোসিয়েশনের একাধিক সদস্যকেও আটক করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তাদের বিরুদ্ধে নানা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।
সব মিলিয়ে জুবিন গার্গের মৃত্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র জলঘোলা। ভক্ত-অনুরাগীরা অপেক্ষা করছেন—কবে উদঘাটিত হবে তাদের প্রিয় শিল্পীর মৃত্যুর আসল রহস্য। দ্যনিউজমিনিট








