জনপদ

ঈদযাত্রায় উত্তরের পথে দ্বিগুণ চাপ, ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি

ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি, ট্রাক ও বাসে ভিড়. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঈদযাত্রায় উত্তরের পথে মানুষের ভোগান্তি, ট্রাক ও বাসে ভিড় দেখা যাচ্ছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

ঈদ উপলক্ষে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ দ্বিগুণ বেড়েছে।

আজ (৪ জুন) বুধবার ভোর থেকে এই মহাসড়কে একাধিক দুর্ঘটনা এবং গাড়ি বিকলের ঘটনায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো সরিয়ে নিলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।

সকাল থেকেই বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা গেছে যাত্রীদের। গণপরিবহনের সংকটের সুযোগ নিয়ে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা আদায় করছে অতিরিক্ত ভাড়া, এমন অভিযোগ করছেন যাত্রীরা।

কেউ কেউ জানান, ৩০০ টাকার ভাড়া গুনতে হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। এতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

এদিকে মহাসড়কে ট্রাক ও ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যা ছিল উল্লেখযোগ্য। গণপরিবহন না পেয়ে অনেক যাত্রীকেই খোলা ট্রাক, এমনকি গরুবাহী ট্রাকে চড়ে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তারা এই পথ পাড়ি দিচ্ছেন।

একজন যাত্রী বলেন, একটা বাসও পাচ্ছি না, কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছি। ট্রাকে চড়ে যাচ্ছি, কিন্তু এত ভাড়া নিচ্ছে যেন আমরা বিদেশ যাচ্ছি। প্রশাসন কী করে বুঝি না।

অন্যদিকে বাস চালকদের দাবি, উত্তরবঙ্গ থেকে খালি গাড়ি নিয়ে ঢাকায় ফিরতে হয়, তাই কিছুটা বাড়তি ভাড়া নিতে হচ্ছে। তাদের মতে, ভাড়া বাড়লেও মহাসড়কে যান চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে।

যমুনা সেতুর পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে ঠিকই, তবে বর্তমানে যানজট নেই। পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

তবে মহাসড়কে যেন যানজট না বাড়ে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ হয়—এ জন্য প্রশাসনের আরও তৎপরতা চেয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

বিষয়:ঈদযাত্রাভোগান্তি
প্রতিবেদক

সোহেল তালুকদার

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

আরও →

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…