তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কাঠামো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনও ঐকমত্য হয়নি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে চলমান ধারাবাহিক সংলাপের আজ ২১তম দিনে ফের আলোচনায় আসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গ।
আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বৈঠকে প্রস্তাব এসেছে, একটি বাছাই কমিটির মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের জন্য ১৩ জনের একটি তালিকা তৈরি করা হবে। এই তালিকায় সরকারি দল থেকে ৫ জন, প্রধান বিরোধী দল থেকে ৫ জন, দ্বিতীয় প্রধান বিরোধী দল থেকে ২ জন এবং স্বতন্ত্র দলগুলোর পক্ষ থেকে ১ জন প্রার্থী মনোনীত করা হবে। তবে এই তালিকা থেকে কিভাবে একজনকে চূড়ান্তভাবে বেছে নেয়া হবে, তা নিয়ে আজকের আলোচনায় তীব্র মতভেদ দেখা দেয়।
একপক্ষ বলছে, র্যাঙ্ক চয়েস বা অগ্রাধিকার ভিত্তিক ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করা যেতে পারে। অন্যপক্ষ সংসদে উন্মুক্ত আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর পক্ষে মত দেয়। এই বিষয়ে এখনো কোন ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি।
আলোচনার সূচনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য দলগুলোর মধ্যে বিশ্বাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জরুরি।
এদিকে, বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল পূর্বের মতের পুনরাবৃত্তি করে জানায়, তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হিসেবে বিচার বিভাগ কিংবা রাষ্ট্রপতির বাইরের কাউকে নিয়োগের পক্ষে। তবে প্রক্রিয়াগত বিষয়েই মূল মতানৈক্য রয়ে গেছে।
আলোচনা আগামীকাল বুধবারও (৩০ জুলাই) চলবে বলে জানানো হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে।








