জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার, সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনের সম্মানে বাংলোতে ইফতারের আয়োজন করেছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল হক। সেখানে অতিথিদের অতিরিক্ত খাবার সংরক্ষণ করে এতিম-দুস্থদের মাঝে বিতরণ করেছেন তিনি।
সম্পতি আয়োজিত এই ইফতার অনুষ্ঠানের ঘটনায় বেশ প্রশংসিত হচ্ছেন খুলনা রেঞ্জের এই ডিআইজি।
ইফতার অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত খাবার সংগ্রহের জন্য তিনি ব্যবহার করেন ‘সারপ্লাস বক্স’। পরিকল্পনা মতো ৪০টি ‘সারপ্লাস বক্সে’ প্রায় ১০০ শিশুর খাওয়ার মতো ইফতারি জমা পড়ে। ইফতারি শেষে ডিআইজি নিজের গাড়িতে করে সেই খাবার নিয়ে ছুটে যান পার্শ্ববর্তী খুলনা সদর এলাকার একটি এতিমখানায়। সেখানে এতিমদের রাতের খাবারের ব্যবস্থা হয় এই সুস্বাদু নানা খাবার দিয়ে।
ডিআইজি রেজাউল হকের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়া খুলনার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। এর আগেও খুলনায় যোগদানের পর কয়েকশ পুলিশ কর্মকর্তা ও কনস্টেবলকে বদলি করার জন্য প্রকাশ্যে লটারির ব্যবস্থা করে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি।
ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, ‘এটি একেবারে নতুন উদ্যোগ। এটি সব ইফতার মাহফিলে ছড়িয়ে দিতে পারলে অনেক খাবার যেটা আসলে মানুষ খেতে চায় না, তা নষ্ট না হয়ে, যাদের খাবার দরকার তাদের দেওয়া যাবে। এতে খাবার অপচয় না হয়ে বরং পথশিশু ও ছিন্নমূল মানুষের খাবারের জন্য সহায়ক হবে।’
খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল হক সংবাদমাধ্যমে বলেন, খুবই সিলেকটিভ লোকদের নিয়ে সংক্ষিপ্ত পরিসরে একটি ইফতারির আয়োজন করা হয়। সেখানে আমি ভাবলাম- অনেকেই তো অনেক কিছু খায় না। যে কারণে ভাবলাম, এমন একটা বক্স যদি দেই তারা খাবারের আগেই সেখানে রাখতে পারবে যেটা খেতে চায় না। সে ধারণা থেকে কাজটা করা হয়েছে। উদ্বৃত্ত সেই খাবারগুলো ইফতারির সঙ্গে সঙ্গেই আমরা পার্শ্ববর্তী একটি এতিমখানায় শিশুদের সঙ্গে এবং পথশিশুদের সঙ্গে শেয়ার করি। পরে অনেকেই ফোন দিয়ে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।








