কুইন্স কমনওয়েলথ এসেই কম্পিটিশন (কিউসিইসি) ২০২৫–এ জুনিয়র ক্যাটাগরিতে (১৪ বছরের নিচে) দ্বিতীয়বারের মতো সিলভার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে ঢাকার ছাত্র লুভিয়া ডে পারিসো। সৃজনশীল লেখালেখিতে তরুণ প্রতিভাদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া এই প্রতিযোগিতায় তিনি ২০২৪ সালেও একই পুরস্কার অর্জন করেছিলেন।
৫৬টি কমনওয়েলথ দেশের ৫৩ হাজার ৪৩৪টি এন্ট্রি এবং ৬৫০ জন বিচারকের মূল্যায়ন থেকে লুভিয়ার লেখা নির্বাচিত হয়। কল্পনাশক্তি, আবেগঘন উপস্থাপন ও ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গির জন্য বিচারকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে তার রচনা। এবারের বিজয়ী লেখা “কমনওয়েলথ হেডস অব অ্যানিম্যালস মিটিং (সিএইচওএএম) ২০২৫: টুওয়ার্ডস সাস্টেইনেবল এক্সিস্টেন্স”–এ সৃজনশীলতা, শক্তিশালী ভাষা ও মানবিক বার্তার কারণে তা অনন্য হয়ে ওঠে।
রচনায় তিনি বিশ্বজুড়ে প্রাণী–সুরক্ষা এবং তাতে মানবজাতির দায়িত্বশীল ভূমিকার কল্পনামূলক ধারণা তুলে ধরেছেন। এর আগে ২০২৪ সালে তিনি লিখেছিলেন “মাই টকিং ডে উইথ দ্য মেরিন ক্রিচারস”, যেখানে সমুদ্রজীবের দৃষ্টিকোণ থেকে সমুদ্রসৈকত পরিষ্কার কার্যক্রমে তার কল্পিত অংশগ্রহণ উঠে আসে। সেই রচনাটিও অর্জন করেছিল কিউসিইসি–এর সিলভার অ্যাওয়ার্ড।
ঢাকার স্যার জন উইলসন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র লুভিয়া ডে পারিসো আন্তর্জাতিক মানবাধিকারকর্মী ও উন্নয়ন পেশাজীবী রুমকি ফারহার সন্তান।
“আমি শুধু আমার কল্পনায় যা দেখি, তা–ই বলতে চাই,” বলেছে লুভিয়া। দুঃসাহসিক গল্প পড়তে ভীষণ পছন্দ করে সে, আর ভবিষ্যতে লেখক হওয়ার স্বপ্ন দেখে। তার সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও বন্ধুরা অত্যন্ত গর্ব প্রকাশ করেছেন এবং একে “সকল তরুণ স্বপ্নবাজদের অনুপ্রেরণা” বলে মন্তব্য করেছেন।
প্রতি বছর কুইন্স কমনওয়েলথ এসেই কম্পিটিশন (কিউসিইসি) সৃজনশীলতা ও মৌলিকত্বে সেরা তরুণ লেখকদের সম্মান জানায়। লুভিয়ার এই অর্জন শুধু তার প্রতিভাকেই স্বীকৃতি দেয়নি, বরং শিশুদের কল্পনাশক্তি বিকাশ ও লেখার মাধ্যমে অনুপ্রেরণা ছড়িয়ে দেওয়ার গুরুত্বও সামনে এনেছে।







