বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই সারাদেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ছে। আর পার্বত্য জেলাগুলোতে ডেঙ্গুর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ম্যালেরিয়াও। মঙ্গলবার ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১২৪৬ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭০৯ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৩৭ জন। একইসঙ্গে এ সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
খুলনায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তদের বেশিরভাগই ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া মানুষ। ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালে বাড়ানো হয়েছে শয্যা সংখ্যা। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। মশা নিধনে প্রতিদিনই কাজ চলছে বলে জানিয়েছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন। খুলনায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৯৮ জন, এদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ২২ জন।
ভোলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যার বাড়ছে। ভোলায় গত ৯ দিনে ৩৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। জেলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘটায় ভর্তি হয়েছে ৬ জন। রোগী বাড়তে থাকায় স্থান সংকুলন হচ্ছে না।
খাগড়াছড়িতে গত দুই মাসে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন একশ’রও বেশি মানুষ। খাগড়াছড়িতে জুন মাসে ৭৭ জন ও ১২ জুলাই পর্যন্ত ৪১ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই দুই মাসে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ জনের বেশি।ডেঙ্গু আক্রান্তদের বেশির ভাগই মাটিরাঙ্গা পৌরসভা এবং গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া এলাকায়। মশা নিধনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় পৌর মেয়র। পরিস্থিতি মোকাবেলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতির কথা বলছে স্বাস্থ্য বিভাগও।
এছাড়া জুন ও জুলাইয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ জনের বেশি। তবে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়াতে এখনও পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি।







