সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।
আজ সোমবার ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে এ প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়।
‘ফেলানি থেকে স্বর্ণা দাস, সীমান্তে আর কত লাশ’, ‘দিল্লির দাদাগিরি, মানি না মানব না’, ‘দিল্লির আগ্রাসন, জনগণ রুখে দাও’ সহ নানা স্লোগানে দেয় তারা। এসময় মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলকে এসে শেষ হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফুয়াদ রাতুল। তিনি বলেন, স্বর্ণা দাস ও জয়ন্ত তারা দুজনেই নাবালক, এরা তো সন্ত্রাসী না। তাহলে কেনো এদেরকে গুলি করা হলো। পৃথিবীর কোনো সভ্য দেশ নিরস্ত্র, নিরপরাধ মানুষকে সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দিতে পারে না। যেটা ভারত দীর্ঘদিন ধরে করে যাচ্ছে। এটি একটি মানবাধিকার লঙ্ঘন। আমরা এই সমাবেশ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে বলতে চাই, এই নিপীড়নকারী দেশের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে ভারতের নিপীড়নের যথাযোগ্য বিচার নিশ্চিত করা হোক।
বিক্ষোভ সমাবেশে ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন বলেন, বাংলাদেশে আমরা ফেলানি হত্যা দেখেছি। কীভাবে একটা দেশের নাগরিককে হত্যা করে কাঁটা তারে ঝুলিয়ে রাখে। আমরা দেখছি ভারত কীভাবে একের পর এক খুন করে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে আমরা স্বর্ণা দাসের হত্যা দেখেছি। আজ তারা জয়ন্তসহ দুইজনকে হত্যা করেছে। আমরা জনগণ হাসিনাকে সরিয়ে ড. ইউনুসকে বসিয়েছি। এই সরকারকে অবশ্যই এই ভারতীয় আগ্রাসনের জবাবদিহিতা চাইতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেয় শাহরিয়ার আলিফসহ অন্যান্যরা। এসময় বিভিন্ন বিভাগ ও ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।







