দেশের ৩০ শতাংশ এলপিজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ, এমন দাবিতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন হিসেবে শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)’র ফ্যাক্ট-চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম ‘বাংলাফ্যাক্ট’।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রথম পাতায় গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) ‘৩০ শতাংশ এলপিজি স্টেশন বন্ধ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে সরবরাহ ঘাটতির কারণে দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) ফিলিং স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়।
বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়াই এ তথ্য বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। ‘বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভারশন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর পক্ষ থেকেও এমন কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
এই বিষয়ে সংগঠনটির অফিস সচিব মো. মোশারফ হোসেন জানান, দেশে বর্তমানে ৯৮৮টি এলপিজি ফিলিং স্টেশন চালু রয়েছে। তবে কোনো স্টেশন বন্ধ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই এবং সংগঠনের পক্ষ থেকেও কেউ এ ধরনের তথ্য জানায়নি।
এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বলেন, ‘দেশে সাময়িক বা পুরোপুরিভাবে ৩০ শতাংশ এলপিজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ হওয়ার বিষয়ে কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।’

