সূত্র: ডয়েচে ভেলে
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর সকালে একিউআই ছিল ৪৩২। একিউআই চারশর উপর উঠলেই তাকে বিপজ্জনক বায়ু দূষণ বলে হয়।
বুধবার ১৩ নভেম্বর সকালে দিল্লির অনেক জায়গায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স(একিউআই) ছিল পাঁচশোর উপরে, যা শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর।
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড বুধবার বেলা চারটের সময় জানিয়েছে, তখন দিল্লির একিউআই ছিল ৪১৮, যা শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। বৃহস্পতিবার সকালে তা আরো বেড়ে যায়।
সকাল সাড়ে পাঁচটার সময় অমৃতসর ও পাঠানকোট বিমানবন্দরে জিরো ভিসিবিলিটি ছিল। সকাল সাতটায় গোরক্ষপুর বিমানবন্দরেও একই অবস্থা হয়।
সকালেই বিমানসংস্থা ইন্ডিগো সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে, কুয়াশার জন্য অমৃতসর, বারাণসী ও দিল্লিতে বিমান চলাচলে দেরি হতে পারে। যাত্রীরা যেন বিমান চলাচলের সর্বশেষ পরিস্থিতি জেনে বাড়ি থেকে বের হন।
দিল্লির লাগোয়া গুরুগ্রাম, নয়ডা, ফরিদাবাদ, গাজিয়াবাদেও ভয়াবহ বায়ুদূষণ হলেও এসব এলাকার পরিস্থিতি দিল্লির মতো অতটা খারাপ নয়। সেখানে একিউআই ৩৩০ থেকে ৩৪০-এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।
এই আবহাওয়ায় বাইরে বেশিক্ষণ থাকলে শ্বাসকষ্ট হতে পারে বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পার্থ প্রতীম বোস আগে ডিডাব্লিউকে জানিয়েছিলেন, এই সময় বেশ কিছু সতর্কতা নেয়া প্রয়োজন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে গার্গল করা, স্টিম নেয়া খুবই জরুরি।
আবহাওয়া দপ্তরের আশা, দিল্লিতে এবার হাওয়ার গতিবেগ বাড়বে। তার ফলে বায়ুদূষণের মাত্রাও কমবে।







