২০১৮ সালের একটি টুইটের প্রেক্ষিতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে সোমবার গ্রেপ্তার করা অল্ট নিউজ ওয়েবসাইটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাংবাদিক মুহাম্মদ জুবায়ের তদন্তে সহায়তা করছেন না এমনই অভিযোগ করেছে দিল্লী পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করে পুলিশ। বিচারকের নির্দেশে তাকে একদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। যদিও ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জুবায়েরের ৪ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল দিল্লী পুলিশ।
হিন্দুস্তান টাইমসের সংবাদে জানা গিয়েছে ২০১৮ সালের টুইটে জুবায়ের লিখেছিলেন, ‘২০১৪ সালের আগে: হানিমুন হোটেল, ২০১৪ সালের পর হনুমান হোটেল।’ এই টুইটের প্রেক্ষিতে জুবায়েরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন এক টুইটার ব্যবহারকারী।
অভিযোগকারীর অভিযোগ, হনুমানজি যেহেতু ব্রহ্মচারী, তার সঙ্গে হানিমুন যুক্ত করে হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। এই আবহে অভিযুক্তের ইলেকট্রনিক ডিভাইস চাইছে পুলিশ। তবে জুবায়ের নাকি পুলিশকে নিজের ডিভাইস দিতে অস্বীকার করেছেন।
সাংবাদিক জুবায়েরের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ১৫৩-এ (ধর্ম, বর্ণ, জন্মস্থান, ভাষা ইত্যাদির ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা) এবং ২৯৫-এ (ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত কাজ) ধারায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।
জুবায়ের সোমবার তদন্তে যোগ দেন এবং পর্যাপ্ত প্রমাণ সংগ্রহের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। উল্লেখ্য, সাংবাদিক মুহাম্মদ জুবায়ের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রাক্তন নেতা নুপুর শর্মা এবং হরিয়ানায় সাধুদের ‘সাম্প্রদায়িক বক্তব্যে’র ভিডিও টুইট করে প্রচারে এসেছিলেন সাম্প্রতিককালে। এবার নিজেই সাম্প্রদায়িক টুইট করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন জুবায়ের।







