চলতি মৌসুম শেষেই ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়ছেন দারুণ ছন্দে থাকা কেভিন ডি ব্রুইন। তার গোলে সর্বশেষ ম্যাচে উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সকে হারিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। ম্যাচ শেষে তাই শিষ্যকে প্রশংসায় ভাসাতে ভুল করেননি স্পেনিয়ার্ড কোচ। তখনই গার্দিওলার কাছে প্রশ্ন আসে, তাহলে ছন্দে থাকা এই তারকাকে কেন ছাড়ছে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি। জবাব দিতে গিয়ে বেশ অস্বস্তিতেই পড়েন গার্দিওলা।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শুক্রবার উলভারহ্যাম্পটনের সঙ্গে ১-০তে জিতেছে ম্যানসিটি। ঘরের মাঠে ৬৪ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রাখলেও আক্রমণে ঠিক কার্যকর হতে পারেনি সিটি। গোলের জন্য ৯টি শট নিলেও লক্ষ্যে ছিল কেবল ২টি। সেখানেই একটিতে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন ৩৩ বর্ষী ড্রি ব্রুইন।
২০১৫ সালে ম্যানসিটিতে যোগ দেয়ার পর ১৬টি শিরোপা জিতেছেন ডি ব্রুইন। এর মধ্যে ছিল ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ ও ক্লাবের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। পারফরম্যান্স আর ধারাবাহিকতায় প্রায় প্রতিটিতে তার ছিল বড় অবদান। প্রিমিয়ার লিগের মৌসুম সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পেয়েছেন দুই দফায়।
ম্যাচ শেষে ৫৪ বর্ষী গার্দিওলা বলেছেন, ‘তাকে শুধু বলব ধন্যবাদ। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ২-০তে পিছিয়ে থাকার ম্যাচে তার পারফরম্যান্স ছিল দারুণ, আজকেও সে গোল করে জয় এনে দিল। আমি খুবই খুশি যে, সে এভাবে শেষ করতে পারছে। ইতিহাদে (ঘরের মাঠে) আর একটি ম্যাচ বাকি আছে আমাদের। আশা করি ভালো খেলবে সে।’
এমন প্রশংসার পর গার্দিওলার কাছে প্রশ্ন আসে, তাহলে কেন তাকে নতুন চুক্তির প্রস্তাব দেননি? ক্লাবের সর্বকালের সেরাদের একজনকে কেন ধরে রাখা হচ্ছে না? এমন নয় যে অনেক বেশি বয়স হয়ে গেছে ডি ব্রুইনের।
বেলজিয়ামের এই মিডফিল্ডারকে ধরে না রাখার কারণ ব্যাখ্যায় কিছুটা অস্বস্তিতেই পড়েন গার্দিওলা। বলেছেন, ‘কেভিনের জন্য সবটুকু শুভকামনা জানাই। তাকে ছাড়া এতগুলো বছরে এত কিছু সম্ভব হতো না। অবিশ্বাস্য এক ফুটবলার সে, তবে এখন পরিস্থিতিটাই এমন।’
‘এ ধরনের ফুটবলারের বিকল্প পাওয়া প্রায় অসম্ভব। ব্যাপারটি শুধু পারফরম্যান্সের নয়, আমাদের অসংখ্য সমর্থকের হৃদয়ে সে যেভাবে জায়গা করে নিয়েছে, সেটিই আসল। আমাদের যত সাফল্য, তা ফুটবলারদেরই।’








