স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদযাত্রা শেষ পর্যন্ত মৃত্যুযাত্রায় রূপ নিয়েছে। বগুড়া জেলার শেরপুরে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ছোনকা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত নয়জন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ রোকন উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন, এই দূর্ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। আহতরা হলেন, শিশু ফাতেমা, শহিদুল, তৌছিব, তাসমিয়া, হেলেনা, তারিকুল, ফাতেমা, আরহাম ও হামিম ।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে আসা যাত্রীভর্তি একটি মাইক্রোবাস গাড়ি (ঢাকা মেট্র চ-১৯-৩০৪১) ঈদের ছুটিতে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। ছোনকা এলাকায় দূর্ঘটনায় গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডারটি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। মুহূর্তেই পুরো গাড়িতে আগুন ধরে যায়।
মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের তীব্রতায় যাত্রীদের বের হওয়ার সুযোগ ছিল না। গাড়ির ভেতরেই পুড়ে প্রাণ হারান ড্রাইভার।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শেরপুর ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আইনী কার্যক্রম শেষে পরিবারের কাছে লাশ হসাতান্ত করা হবে বলে জানান পুলিশ।
শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ রোকন উদ্দিন জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজন মারা যাওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিনে দাঁড়িয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাস ঈদের ছুটিতে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ছোনকা এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পরপরই গাড়িটিতে আগুন ধরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে যাত্রীদের বের হওয়ার সুযোগ খুব কম ছিল। ঘটনাস্থলেই চালক দগ্ধ হয়ে মারা যান।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়।








