ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ ধেয়ে আসায় সারা দেশের নদীপথে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
মঙ্গলবার ২৪ অক্টোবর বিকেলে বিআইডব্লিউটিএ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ আজ মঙ্গলবার মধ্যরাতে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এ কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশে নৌপথে সব নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।
এদিকে সন্ধ্যায় আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-১২) মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ উপকূল স্পর্শ করেছে বলে জানায়। এছাড়াও রাত ৯টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টির মূল অংশ উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে বলেও জানায় আবহাওয়া অফিস।
বিশেষ এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপকূল অতিক্রমের সময় ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ কিছুটা দুর্বল হয়ে আজ রাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় দমকা ও ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় হামুন উপকূল অতিক্রম করা শুরু করেছে। এর অগ্রভাগ ইতোমধ্যেই উপকূল স্পর্শ করেছে। এরপর ক্রমশ এর কেন্দ্র স্থলভাগে আঘাত করে আজ রাত বা মধ্যরাত নাগাদ শেষ হয়ে যাবে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র স্থলভাগে আঘাত করার সময় এটি আরও দুর্বল হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় থকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। যে কারণে আমরা আশা করছি ক্ষয়ক্ষতি কম হবে।’
এদিকে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে দেওয়া ৭ নম্বর সতর্কসংকেত অপরিবর্তিত রেখেছে আবহাওয়া অফিস।
কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরের ৬ নম্বর বিপদসংকেত নামিয়ে ৭ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। তবে পায়রা বন্দরে ৭-এর পরিবর্তে ৫ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।








