প্রাক্কলিত মূল্য থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা কমে দরদাতা হিসেবে চায়না রোড ও ব্রিজ কর্পোরেশন (সিআরবিসি) বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায় ও পরিচালনা কাজের অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছে।
শনিবার রাত ১২টা ১মিনিট থেকে আগামী ৫ বছর তারা তাদের নিজস্ব জনবল দ্বারা এই দায়িত্ব পালন করবে।
এর আগে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায় ও পরিচালনা কাজের জন্য ৭৪ কোটি ৭৫লাখ ২৯হাজার ৬২১টাকা প্রাক্কলিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়। তবে সেখানে চায়না রোড ও ব্রিজ কর্পোরেশন (সিআরবিসি) সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ৫৯কোটি ৬৩লক্ষ ৯৬হাজার ৫০৪টাকা দরপত্র আহ্বান করেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তারাই কাজটি পায়। যা প্রাক্কলিত মূল্যের থেকে ২০.২১% অর্থাৎ ১৫কোটি ১১লক্ষ ৩৩হাজার ১১৭টাকা কম।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের যুগ্ম সচিব আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, রাত ১২টা থেকে নতুন কোম্পানি বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায় শুরু করেছে। পাক্কলিত মূল্য থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা সাশ্রয়ে মূল্যে ৫ বছরের জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাথে তারা চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা এবং যে সফটওয়্যারের মাধ্যমে টোল আদায় করা হবে। ধারণা করা হচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে গাড়ি পারাপার করা যাবে। এখানে অনলাইনে টোল দিয়ে যাতায়াতের জন্য প্রত্যেকটা লাইনে ব্যবস্থা থাকবে। ব্যবহারকারী যদি টোল কালেকশন সিস্টেমে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে তাহলে টোল পারাপারের সময় তারা অনলাইনে টোল দিতে পারবে। সরাসরি টোলের ব্যাংক একাউন্টে টাকাটা জমা হয়ে যাবে। এতে টোলে কোন ট্রাফিক জ্যাম হবে না। একদিকে সরকারের ১৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। অন্যদিকে জনগণও কম সময়ে দ্রুততার সহি টোল প্লাজা দিয়ে পার হয়ে যেতে পারবে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ১৫ কোটি টাকা সাশ্রয়ী হলেও টোল কমানোর কোন সুযোগ নেই। সরকার নির্ধারিত টোল আদায় করতে হবে। ডিজিটাল সফটওয়্যার এর মাধ্যমে টোল আদায় করা হবে। টোল থেকে কোন যানজট সৃষ্টি হয় না। অনেক সময় অতিরিক্ত গাড়ি টোলে চলে আসায় একটু সমস্যা হয়। সেটা বেশিক্ষণ থাকে না।








