পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠী ইউনিয়নের পীরতলা গ্রামে এক ক্ষুদ্র খামারীর গোয়াল ঘরে দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়ে মারা গেছে দু’টি বাছুরসহ চারটি গরু। একটি বাছুর উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন খামারের মালিক জাহাঙ্গীর খলিফা (৪০)। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
রোববার ২ জুলাই রাত ২টার দিকে এই নাশকতার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন খামারের আয় নির্ভর পরিবারটি।
খামারের মালিক জাহাঙ্গীর খলিফা ও তার স্বজনরা জানান, দু’টি ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী গরু ও তিনটি বাচ্চা ছিল খামারে। প্রতিদিন ৪০ লিটার দুধ দিত গরু দু’টি। দুধ বিক্রি করেই চলতো তাদের সংসার। গত রাত ১টার দিকে ঘুমানোর আগে জাহাঙ্গীর গোয়াল ঘরে গিয়ে সবকিছু স্বাভাবিক দেখতে পান। রাত ২টায় পাশের ঘরের লোকজনের চিৎকারে ঘুম ভাঙ্গে জাহাঙ্গীর ও তার পরিবারের। গোয়ালঘরে দাউ-দাউ আগুন জ্বলতে দেখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভিতরে ঢোকেন জাহাঙ্গীর।
তারা জানান, একটি বাছুর রশি কেটে বাঁচাতে সক্ষম হলেও চোখের সামনে পুড়ে মারা যায় বাকি চারটি গরু। এসময় আগুনে জাহাঙ্গিরের হাত, কাঁধ ও পিঠের কিছু অংশ পুড়ে যায়। ঘটনাস্থলে কাউকে না দেখলেও জমি নিয়ে দ্বন্দের কারণে তার খামারে পেট্রোল দিয়ে আগুন দেয়া হয়েছে বলে খামারে মালিক জাহাঙ্গীর খলিফাসহ পরিবারের ধারণা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, জাহাঙ্গীরের শরীরের কিছু অংশ পুড়ে গেলেও আশংকাজনক নয়।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সাব-ইন্সপেক্টর আল মামুনকে ফাঠানো হয়েছে, তদন্ত চলছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।







