মার্কিন সংস্থা ইউএসএআইডি’র হাজারও কর্মীদের ছুটিতে পাঠাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা স্থগিত করে রায় দিয়েছে মার্কিন আদালত।
বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক কার্ল নিকোলস কর্মীদের বাধ্যতামূলক ছুটি কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এ স্থগিতাদেশ দেন।
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিকোলসের এই আদেশ কার্যকর থাকবে। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনকে শনিবার থেকে বেতনসহ বাধ্যতামূলক ছুটিতে যাওয়া প্রায় ২ হাজার ২০০ কর্মী আবারও কাজে ফিরতে পারবেন। এছাড়া এরইমধ্যে ছুটিতে থাকা ৫০০ কর্মীকে পুনর্বহাল করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
কর্মীকে ছুটিকে পাঠানোর এ পরিকল্পনা আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছিল দুটি ইউনিয়ন-আমেরিকান ফরেন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ও আমেরিকান ফেডারেশন অব গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ। তাদের জরুরি আবেদনের প্রেক্ষিতে এমন আদেশ দেন ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে নিয়োগ পাওয়া বিচারক নিকোলস। শুনানিতে ‘খুবই সীমিত’ সময়ের জন্য ট্রাম্পের পরিকল্পনা কার্যকরে এ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন তিনি।
এর ফলে ইউএসএআইডির প্রায় ২ হাজার ৭০০ কর্মী আবারও কাজে ফিরতে পারবেন।
অন্যদেশে উন্নয়নকাজে মার্কিন সরকারের প্রধান শাখা ইউএসএআইডির কর্মীসংখ্যা প্রায় ১০ হাজার, এর মধ্যে দুই তৃতীয়াংশই কাজ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে। ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আপাতত ৬১১ কর্মী সংস্থাটিতে কাজ করবেন। এর বাইরে অন্যদের চাকরি থাকবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
বিচারক নিকোলস এমন এক সময়ে তার আদেশ দিয়েছেন, যখন কর্মকর্তারা ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন সাহায্য সংস্থাটির সদরদফতরে ইউএসএআইডির লোগো ঢাকছিল ও মুছে দিচ্ছিলেন।
গত ২০ জানুয়ারি, শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পরই সমস্ত মার্কিন বিদেশি সাহায্য স্থগিতের নির্দেশ দেন ট্রাম্প।







