প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল নজরটিই হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলেও জোর দেন প্রধান উপদেষ্টা।
ইউনূস আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম মাসেই গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করেছেন তিনি।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত কেভিন এস র্যান্ডেল সোমবার ৯ সেপ্টেম্বর প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, অধ্যাপক ইউনূস সংস্কার ও বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য হলি সি’র সমর্থন কামনা করেন।
অধ্যাপক ইউনূস ও হোলি সি’র অ্যাপোস্টলিক নানসিও বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিষয়ে আলোচনা করেন। আন্তঃধর্মীয় সংলাপ, রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক সহায়তা কার্যক্রম নিয়ে চলতি মাসের শেষ দিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত বলেন, তারা বাংলাদেশের আলেমদের সঙ্গে হলি সি’স ডিকাস্ট্রির একটি প্রতিনিধি দলের একটি আন্তঃধর্মীয় সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছেন।
তিনি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় এসডিজি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব (এসডিজি বিষয়ক) লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক কাজী রাসেল পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।







