চাঁদপুরে আধুনিক নৌ-টার্মিনালের দুই বছর মেয়াদী প্রকল্পের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হলেও কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ২৫ শতাংশ। কাজ শেষ না হওয়ায় এই রুটে যাতায়াত করা যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।
দেশের অন্যতম নৌ-রুট চাঁদপুর-ঢাকা-নারায়নগঞ্জ নৌ-রুট। চাঁদপুর- ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে প্রতিদিন অর্ধ শতাধিক লঞ্চ যাতায়াত করে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে বিশ্বব্যাংক ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের পরামর্শ অনুযায়ী বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করে আধুনিক নৌ-টার্মিনালের পাইলিংয়ের কাজ শুরু করা হয়। তবে পাইলিংকাজ শেষ হলেও গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে চাঁদপুর আধুনিক নৌ-বন্দর নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখেছে পালিয়ে যায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এই কাজটি দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়েছেন এই নৌ-রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা।
যাত্রীরা জানান, বেশ কয়েক বছর ধরে দেখছি লঞ্চঘাটের কাজ বন্ধ রয়েছে। নতুন টার্মিনালের জন্য এখানে কিছু হচ্ছে না। বিশেষ করে যাত্রী ছাউনি, বসার স্থান, টয়লেট নেই। সবচেয়ে বড় কথা বৃষ্টি হলে এখানে যাত্রীদের ভিজতে হয়।
পূর্বের যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করেছে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। নতুন করে আবারও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। নতুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আসলে আবার হয়তো বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে জানান সদ্য বিদায়ী চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দীন ।
বিআইডব্লিউটি সূত্রমতে, ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর একনেকে অনুমোদন পায় চাঁদপুর আধুনিক নৌ টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রথম পর্যায়ে প্রকল্পটির ব্যয় প্রায় ৬৭ কোটি টাকা ধরা হলেও বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।








