দেশের সিনেমা হল মালিকদের সংগঠন চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির পক্ষ থেকে নতুন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এক গুচ্ছ প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন এর সভাপতি ও চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল।
চলচ্চিত্রকে বিশ্বমানের করা এবং এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রেক্ষাগৃহের উন্নয়নে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে উজ্জ্বল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চলচ্চিত্রের উন্নয়নে গাজীপুরে ফিল্ম সিটি গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বিএনপির নতুন সরকার ফিল্ম সিটির উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করবে বলে আমি আশা করি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি সিনেমাকে আন্তর্জাতিক মানের করে বৈশ্বিক বাজার ধরতে সরকারের সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগী হবেন। একইসাথে গ্লোবাল ভিলেজের এই যুগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভালো ভালো সিনেমা দেশি দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রেক্ষাগৃহকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে এর কোন বিকল্প নেই। কারণ, প্রেক্ষাগৃহ লাভবান হয়ে টিকে থাকলে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি বেঁচে থাকবে।
আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল জানান, বিগত সরকারগুলোর সময়ে চলচ্চিত্র শিল্প নানা ধরনের সংকটের মধ্যদিয়ে গেছে। ভালো সিনেমার অভাবে দেশের বহু প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হয়ে গেছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে হলে এদিকে নজর দেওয়ার বিকল্প নেই।
প্রদর্শক সমিতির সভাপতি বলেন, বিগত ১৭ বছরে এফডিসি গতিশীল ছিল না। এফডিসিকে যেন আরও গতিশীল করতে হবে। শিল্পচর্চার পরিবেশ নির্বিঘ্ন করা এবং পরিধি বাড়াতে হবে। নতুন সরকারের কাছে আরও চাইব, সিনেমা হল যাতে বাড়ানো হয়।
দেশের বিভিন্ন শপিং মল এবং মার্কেটে সিনেমা হল চালুর বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে বলেও এসময় বলেন সমিতির সভাপতি। চলচ্চিত্রশিল্পের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সারাদেশে আধুনিক ও মানসম্মত সিনেমা হল নির্মাণ বা পুনরুদ্ধারে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
অনুদানের সিনেমা নিয়েও কথা বলেন চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি। তিনি বলেন, সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। যোগ্য নির্মাতা ও গল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে অনুদান দিলে প্রকৃত মেধাবীরা কাজের সুযোগ পাবেন, দেশের চলচ্চিত্রশিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে।








