ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে নেপাল যাচ্ছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি। চলতি সপ্তাহেই সিআইডির একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল সেখানে যাবেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
তদন্তকারীরা বলছেন, এর আগে ভারতের নানা মামলার আসামিরা নেপাল সীমান্ত পার হয়ে কাঁকরভিটা হয়ে কাঠমান্ডু চলে গেছে বা বিহার থেকে নেপালের বীরগঞ্জের দিকে ঢুকেছে। এমনকি আনোয়ারুল আজিম হত্যার মূল অভিযুক্ত শাহিনও সম্ভবত বাংলাদেশ থেকে নেপাল হয়েই আমেরিকায় চলে গেছে।
নিউ টাউনের ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে মাংসপিণ্ড বা দেহাংশ উদ্ধার হলেও কসাই দিয়ে আলাদা করা দেহের হাড় বা মাথা উদ্ধার হয়নি। সংসদ সদস্যের পোশাক ও জুতারও খোঁজ মেলেনি। এ সবের খোঁজে ভাঙড়ে বাগজোলা খালে তল্লাশি চলে।
সিআইডির আশা, আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকেই মাংস বা দেহাংশ নিয়ে প্রাথমিক ফরেনসিক রিপোর্ট চলে আসবে। এর পরেই ডিএনএ নমুনা মেলানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
গত মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতার সঞ্জীব আবাসনের সেই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে কিছু মাংস উদ্ধার করে পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি। উদ্ধার হওয়া মাংসগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষার পর ডিএনএ টেস্ট করা হবে বলে জানান ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, এই পরীক্ষাগুলোর পর মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনারের কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হারুন অর রশীদ বলেন, ডিএনএ টেস্টের জন্য এমপি আনারের কন্যা বা ভাইদের কাছ থেকে স্যাম্পল নেওয়া হতে পারে। ইতোমধ্যে এমপি আনারের কন্যা মুমতারিন ফেরদৌস ডরিনকে কলকাতায় ডাকা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে ডরিন কলকাতায় আসতে পারে বলেও জানান তিনি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান হারুন অর রশীদ বৃহস্পতিবার কলকাতা ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের বলেছেন, “বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে নেপালে চিঠি পাঠিয়ে সিয়ামের অবস্থান বিষয়ে তাদের জানিয়েছেন।”







