অভিনেত্রী গোলাম ফরিদা ছন্দা ও তার জমজ দুই কন্যা টাপুর ও টুপুরের জন্মদিন একইদিনে। প্রতিবছর ২২ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে ঘরোয়া আয়োজনে নিজেদের মতো করে জন্মদিনটি বিশেষভাবে পালন করেন তারা।
আগে কয়েকবার ছন্দা ও টাপুর টুপুরের জন্মদিন উদযাপনের সঙ্গী হয়েছিল চ্যানেল আই। কিন্তু এবছর জন্মদিন ভিসা জটিলতা এক হতে দেয়নি মা ও দুই মেয়েকে।
তিনজনের জন্মদিন ২২ সেপ্টেম্বর হওয়ায় প্রতিবছর তারা একসঙ্গে কেক কাটেন। যদিও টাপুর এবং টুপুর পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং লেখাপড়া করে। ছন্দা বলেন, ক্লাস ফোর থেকে ওরা কালিম্পংয়ে বোর্ডিংয়ে লেখাপড়া করছে। এখনো দ্বাদশ-এ পড়ছে। যেবার ওরা দেশে আসতে পারেনি তখন আমি ওদের ওখানে গিয়ে জন্মদিন পালন করেছি। সেখানে আরও বাচ্চারা বোর্ডিংয়ে থাকে তাদের নিয়েও আনন্দ উদযাপন করেছি। করোনার দুবছর চ্যানেল আই তিনজনকে নিয়ে জন্মদিন পালন করেছিল। কিন্তু এবার ভিসা জটিলতার কারণে ওদের কাছে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
এতে করে টাপুর টুপুরের মন খারাপ হয়েছে উল্লেখ করে ছন্দা বলেন, ওদের পাশাপাশি আমারও মন খারাপ হয়েছে। ওরা বলেছিল, মা এবার কি আমরা জন্মদিন সেলিব্রেট করবো না? আমিও ওদের সাথে সায় দিয়েছিলাম! কিন্তু ভিতরে ভিতরে ওদের সারপ্রাইজ আনন্দ দেয়ার চেষ্টা করেছি। ওদের সারপ্রাইজ দিতে কালিম্পংয়ে এক দোকানে কেক অর্ডার করে তিনটি কেক, চকলেট, টিশার্ট পাঠাই। যেটা ওরা আগে থেকে এটা বুঝতে পারেনি। এতে করে টাপুর টুপুর কেক পেয়ে অনেক বেশি সারপ্রাইজ হয়েছে এবং আনন্দে কেঁদে ফেলেছে। তারা আসলে ভীষণভাবে আনন্দিত।
ছন্দা জানান, টাপুর টুপুরের বয়স যখন তিন বছর, সেবছর তিনি লন্ডনে শুটিংয়ে থাকায় মেয়েদের সঙ্গে জন্মদিন পালন করতে পারেননি। বললেন, এবার ওরা ১৯ বছরে পা রাখলো। এতোগুলো বছর পর ২০২৪-এ একসঙ্গে আমরা বিশেষ এ দিনে এক হতে পারিনি। আসলে পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় অনেককিছু মেনে নিতে হয়। আগামী ফেব্রুয়ারিতে টাপুর টুপুরের পরীক্ষা আছে। তখন ওদের ওখানে লেখাপড়া শেষ হবে।
মা গোলাম ফরিদা ছন্দার মতো অভিনয়ে নাম লিখেয়ে ছিলেন টাপুর টুপুর। ইতোমধ্যে তারা দেশান্তর, মায়াসহ একাধিক সিনেমা ও নাটকে অভিনয় করেছেন।
ছন্দা বলেন, ওরা তো অভিনয় করবে। ছুটিতে দেশে এলে ভালো কাজ পেলেই করে। ওদের কাজের জন্য প্রচুর অফার আসে। আগামীতেও করবে। তবে হ্যাঁ, কাজটা ভালো হতে হবে। ওদেরও কাজের ইচ্ছে রয়েছে।







