বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরণকারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে দুইদিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। মূলত কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের মৌলিক অধিকার পরিপন্থী কিছু বিধিবিধান সংশোধন, পণ্য চালান শুল্কায়নকালে পণ্যের এইচএস কোড ও সিপিসি নির্ধারণে প্রণীত বিভিন্ন বিতর্কিত আদেশ বাতিলের দাবিতে সারাদেশের কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনে একযোগে এ কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে কাস্টমস হাউসের সামনে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের মৌলিক অধিকার পরিপন্থী কিছু বিধিবিধান সংশোধন, এইচএস কোড ও সিপিসি ভুলের কারণে জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ বাতিল সহ মোট ৮ দফা দাবিতে সারাদেশের কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশনে একযোগে এ কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেন।
অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম (বিলু) বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, সোমবার, ৩০ জানুয়ারি সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন করছি আমরা। কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের মৌলিক অধিকার পরিপন্থী কিছু বিধিবিধান সংশোধন, পণ্য চালান শুল্কায়নকালে পণ্যের এইচএস কোড ও সিপিসি নির্ধারণে প্রণীত বিভিন্ন বিতর্কিত আদেশ বাতিলের দাবিতে সারাদেশের কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশনে একযোগে এ কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন। এসব দাবিতে দীর্ঘদিন আমরা আন্দোলন করে আসছি। দাবি পূরণে এনবিআর আশানুরূপ পদক্ষেপ দৃশ্যমান না হওয়ায় দুইদিন পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লাইসেন্সিং বিধিমালার কিছু বিধিবিধান সংশোধন, এইচএস কোড ও সিপিসি ভুলের কারণে জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ বাতিল বিষয়ে ফেডারেশনের প্রস্তাবনা অনুসারে সংশোধন করার দাবি আদায় না হলে আগামীতে নতুন কর্মসূচি দেবে ফেডারেশন।







