জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার সোহলাপাড়া গ্রামের এক পুকুরের পাড় থেকে নিখোঁজের ৮ দিন পর অবশেষে শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কাফি খন্দকারের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত কাফি ক্ষেতলাল উপজেলার সহোলাপাড়া গ্রামের সঞ্চয় খন্দকারের ছেলে। ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্রী দীপেন্দ্র সিংহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ ওই গ্রামের মহিদুল ইসলাম (৪৫), বাবু খন্দকার (৫৫),ফরিদ খন্দকারকে (৬৫) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিনের মতো গত ১৮ এপ্রিল বিকেলে বাড়ির পাশে অন্যান্য শিশুদের সাথে খেলা করছিলেন কাফি খন্দকার। সেদিন সন্ধ্যার আগে অন্য শিশুরা বাড়ি ফিরলেও বাড়ি ফিরেনি সে। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুজি করে একমাত্র ছেলের কোন সন্ধ্যান না পেয়ে পাগলপ্রায় হয়ে যায়।
এরমধ্যে শনিবার দুপুরে সহোলাপাড়া গ্রামের একটি পুকুরের পাড়ে তার অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান ওই গ্রামের মশিউর রহমান কলমের স্ত্রী হাবিবা। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে সেখান থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এলাকাবাসীর ধারণা, শিশুটিকে হত্যা করে তার লাশ পুকুরের পাড়ের ঝোপঝাড়ের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছে।
ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্রী দীপেন্দ্র সিংহ বলেন , শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গ্রামের ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।








