কক্সবাজারের উখিয়া আশ্রয় শিবিরে রোহিঙ্গা দুর্বৃত্তদের সঙ্গে এপিবিএন এর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক শিশু নিহত এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক তরুণী গৃহবধূ আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোররাতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৮ নম্বর ময়নারঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-৫২ ব্লকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানান ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এডিআইজি মো. আমির জাফর।
নিহত তাসদিয়া আক্তার (১১) উখিয়ার ১৮ নম্বর ময়নারঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-৫২ ব্লকের মো. ইয়াছিনের মেয়ে। ঘটনায় আহত হয়েছে একই ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং নিহত তাসদিয়ার ভাবী দিল আয়াছ (১৮)।
স্থানীয়দের বরাতে এডিআইজি আমির জাফর বলেন, মঙ্গলবার ভোররাতে উখিয়ার ১৮ নম্বর ময়নারঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-৫২ ব্লকে একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত বিভিন্ন বসত ঘরে হামলা শুরু করে। এক পর্যায়ে ওই ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে দুর্বৃত্তরা। এতে শিশুসহ দুই জন আহত হয়। পরে খবর পেয়ে এপিবিএন পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এসময় দুর্বৃত্তরা এপিবিএন সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। আত্মরক্ষার্থে এপিবিএন সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছুড়লে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
এপিবিএন অধিনায়ক বলেন, “দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে আহত দুইজনকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এসময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাসদিয়া আক্তার নামের এক শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর জনের অবস্থা আশংকজনক হওয়ায় তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।”
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, ভোররাতে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নিহত এক রোহিঙ্গা মেয়ে শিশুর লাশ পুলিশ উদ্ধার করেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে এপিবিএন পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান এডিআইজি মো. আমির জাফর।








