সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুবরণ করেছেন শুনে বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর আমীর বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী দরবার ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব কেবলা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাযেমে আ’লার স্বাক্ষরিত একটি শোকবার্তা সংবাদমাধ্যমে তথ্যটি জানানো হয় ।
শোক বার্তায় তিনি বলেন, মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া আপোষহীন নেত্রী হিসেবে সুখ্যাতি পান। তিনি তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করার সময়ে দেশের ও জনগণের সেবায় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। পাশাপাশি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও নীতিতে অটল থেকে বিশ্বের বুকে দেশের মর্যাদা সমুন্নত রেখে পারস্পরিক সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত করেছিলেন। মহান আল্লাহ পাক তাঁর বিদেহী আত্মাকে রহম করুন। তাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে হযরত পীর ছাহেব কেবলা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সঙ্গে আমার দাদা মরহুম মুজাদ্দেদে যামান হযরত মাওলানা শাহ্ আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহ.) এর প্রগাঢ় সম্পর্ক ছিল। আমার দাদা মরহুমের পরামর্শে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে ইসলামের প্রভূত খেদমত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। পরবর্তীকালে আমার আব্বা মরহুমের জীবদ্দশায় মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে পর্দার বিধানের বাধ্যবাধকতায় দেখা সাক্ষাত না হলেও তিনি তার স্বামীর মতই অত্র দরবারকে শ্রদ্ধার নজরে দেখতেন।
পীর ছাহেব কেবলা আরও বলেন, দেশের জন্য যখন মরহুমা খালেদা জিয়ার মত একজন মান্য, পরীক্ষিত, আপোষহীন, ব্যক্তিত্বের প্রয়োজন ছিল; তখনই তিনি দেশবাসীকে শোক সাগরে ভাসিয়ে পরপারে পাড়ি জমালেন। এতে আল্লাহর হেকমত তিনিই ভালো জানেন।
হযরত পীর ছাহেব কেবলা মরহুমার জ্যেষ্ঠ সন্তান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি সকলকে ধৈর্য্যধারন করার পরামর্শ দেন। দেশের এই ক্রান্তিকালে তারেক রহমানকে তার মায়ের এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তার পিতার আদর্শ ও নীতিতে অটল ও অবিচল থেকে দল ও দেশের খেদমত করার আহ্বান জানান।







