টানা দু’আসরে মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জিতে ফিরেছে বাংলাদেশ। দুটি আসরেই লাল-সবুজদের গোলবার সামলেছেন রূপনা চাকমা। দুবারই জিতেছেন আসরসেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার। বাংলাদেশের গোলবারের অতন্দ্রপ্রহরী রূপনাকে বেশ আত্মবিশ্বাসী মনে করেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। তার কথায়, রূপনা ছেলেদের চেয়েও বেশ আত্মবিশ্বাসী।
গতমাসে সাফের সবশেষ আসরে কাঠমান্ডুতে শিরোপামঞ্চে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে দেশে ফেরে লাল-সবুজের দল। মঙ্গলবার সাফজয়ীদের নিয়ে আয়োজিত চ্যানেল আই’র বিশেষ ‘অভিনন্দন’ অনুষ্ঠানে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে গিয়ে রূপনা সম্পর্কে এমন জানালেন সাবিনা। বলেছেন, ‘রূপনা তো, সবসময়ই সে বেস্ট। আমি ছেলেদেরকেও এতটা আত্মবিশ্বাসী দেখি না, গোলপোস্টে ও যতটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে দাঁড়ায়।’
ফাইনাল ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথম গোলটা এসেছিল মনিকা চাকমার থেকে। সেই গোলে ছন্দ পেয়েছিল বাংলাদেশ। পরে ২-১ গোলে ম্যাচ জিতে শিরোপা নিজেদের করে নেয় লাল-সবুজের দল। গোলটির জন্য মনিকাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সাবিনা।
‘ফাইনাল ম্যাচটা ইন্টারেস্টিং ছিল, অবশ্যই তারা স্বাগতিক, যেকারণে চ্যালেঞ্জটা ছিল সেখানে। প্রথমেই বলব, খুব সাহসিকতা দেখিয়েছে মনিকা। ওর গোলটাতে আসলে প্রাণ ফিরে পাওয়া। কারণ, যখন একটা গোল হয় তখন টিম স্বাভাবিকভাবেই অনুপ্রাণিত হয়ে ওঠে। মনিকা থ্যাংক ইউ।’
ফাইনালে বাংলাদেশের ডিফেন্স লাইনের প্রশংসা করেছেন সাবিনা। বলেছেন, ‘বিশেষ করে ডিফেন্স লাইনে শিউলি-মাসুরা-প্রান্তি-শামসুন্নাহার ওরা আসলে ওদিন যে ডিউটি করেছিল, সেটা মনে হয় টুর্নামেন্টের সেরা পারফরম্যান্স ছিল। কোনমতেই ওদেরকে ভেদ করেনি কোনো খেলোয়াড়, গোল হয়েছে ওটা খেলার একটা অংশ। কিন্তু ওই জায়গাটাতে ওরা কঠিন ছিল।’
মিডফিল্ডার ও নতুন খেলোয়াড়দের নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক বললেন, ‘আমি তো সবসময় বলি, মিডফিল্ড লাইনে মারিয়া-মনিকা তাদের দুজনের যে কেমেস্ট্রি, সেটা আসলে দেখার মতো। বদলিতে নামা আমাদের স্বপ্না, সাগরিকা বেস্ট। যারাই আসলে নতুন খেলেছে আমাদের মধু (শাহেদা আক্তার রিপা), ও ভারতের সাথে খেলেছে, যতটুকু খেলেছে আত্মবিশ্বাসের সাথে খেলেছে। অবাক হচ্ছি, ও এতটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলেছে। প্রত্যেকটা খেলোয়াড়ই যে যখনই নেমেছে, সে চেষ্টা করছে তার সেরাটা দেয়ার। তার ফল আমরা পেয়েছি।’








