এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে সাউথ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের সাথে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলেছিল পাকিস্তান। কিউইদের সঙ্গে দুবার মুখোমুখিতে হার দেখেছিল তারা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও কিউইদের বিপক্ষে হার এড়াতে পারল না মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৬০ রানে হেরে আসর শুরু করেছে পাকিস্তান।
উইল ইয়ং এবং টম ল্যাথামের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের তিন শতাধিক রানের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল কিউইবাহিনী। উইলিয়াম ও’রোর্ক ও মিচেল স্যান্টনারের দাপুটে বোলিংয়ে বড় পরাজয় দেখতে হয়েছে পাকিস্তানকে।
করাচিতে আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে টসে জিতে কিউইদের আগে ব্যাটে পাঠায় পাকিস্তান। নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেটে ৩২০ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। জবাবে নেমে ৪৭.২ ওভারে ২৬০ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।
তিন শতাধিক রানতাড়ায় নেমে ব্যাটাদের ব্যর্থতা দেখেছে পাকিস্তান। ভিন্ন ছিলেন বাবর আজম ও খুশদিল শাহ। বাবর ৯০ বলে ৬৪ রান এবং খুশদিল ৪৯ বলে ৬৯ রানের ইনিংস খেলেছেন। বাকিদের মধ্যে সালমান আলি আঘা ২৮ বলে ৪২ রান করেন। ফখর জামান ৪১ বলে ২৪ রান দেন।
কিউইদের হয়ে মিচেল স্যান্টনার ও উইলিয়াম ও’রোর্ক তিনটি করে উইকেট নেন।
আগে ব্যাটে নেমে কিউই টপঅর্ডারের চারের তিনজনই ফিরে যান দ্রুত। ডেভন কনওয়ে ও ড্যারিল মিচেল ১০ রান করে দেন। ১ রান করে আউট হন কেন উইলিয়ামসন। ৭৩ রানে তিন ব্যাটার হারানোর পর টম ল্যাথামকে নিয়ে হাল ধরেন উইল ইয়ং। ১১৮ রানের জুটি গড়েন দুজনে। দলীয় ১৯১ রানে ইয়ং ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ১২টি চার ও এক ছক্কায় ১১৩ বলে ১০৭ রান করেন ইয়ং।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে গ্লেন ফিলিপসকে নিয়ে ঝড় তোলেন ল্যাথাম। ৯টি চার ও দুটি ছক্কায় ৯৫ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। চারটি ছক্কা ও এক চারে ৩৪ বলে ফিফটি করেন ফিলিপস। ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতে ফিলিপস ফিরে যান। তিনটি চার ও চারটি ছক্কায় ৩৯ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলেন কিউই অলরাউন্ডার। পরে মাইকেল ব্রেসওয়েলকে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন ল্যাথাম। ১০টি চার ও ৩ ছক্কায় ১০৪ বলে ১১৮ রান করেন।
পাকিস্তানের হয়ে নাসিম ও হারিস রউফ দুটি করে উইকেট নেন। আবরার আহমেদ নেন একটি উইকেট।








