বুধবার রাতে শেষ হল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলো পর্ব। দ্বিতীয় লেগে গ্যালাতাসারের বিপক্ষে প্রত্যাবর্তনের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে লিভারপুল। টটেনহ্যামের বিপক্ষে হেরেও দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে পরের রাউন্ডের টিকিট কেটেছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। আগের লেগেই প্রায় নিশ্চিত করে রাখা কোয়ার্টার, দ্বিতীয় লেগ মিলিয়ে আটালান্টাকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে শেষ আটে পা রেখেছে বায়ার্ন মিউনিখ। প্রথম লেগে সমতায় থেকে দ্বিতীয় লেগে ভূমিধস জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। রাতের প্রথম ম্যাচে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে রীতিমতো গোল উৎসব করেছে তারা।
ন্যু ক্যাম্পে ইংলিশ ক্লাবটিকে ৭-২ গোলে হারিয়েছে বার্সা। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে স্বাগতিকদের লিড এনে দেন রাফিনহা, ১৫ মিনিটে নিউক্যাসলকে সমতায় ফেরান অ্যান্থনি এলাঙ্গা। ১৮ মিনিটে আবারও কাতালানদের এগিয়ে দেন মার্ক বার্নাল, ২৮ মিনিটে এলাঙ্গা গোল করলে ফের সমতায় ফেরে সফরকারীরা। ৪৫ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে গোল করেন লামিন ইয়ামাল। ৫১ মিনিটে ব্যবধান দিগুণ করেন ফের্মিন লোপেজ। ৫৬ এবং ৬১ মিনিটে জোড়া গোল করেন রবার্ট লেভান্ডোভস্কি। ৭২ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রাফিনহা। দুই লেগ মিলিয়ে ৮-৩ গোলে জয় নিয়ে পরের রাউন্ডে পৌঁছেছে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা।
ঘরের মাঠে অ্যানফিল্ডে ৪-০ গোলে জিতেছে লিভারপুল। তুর্কি ক্লাবটির বিপক্ষে ২৫ মিনিটে লিড এনে দেন ডমিনিক সোবোসজলাই। ৫১ মিনিটে ব্যবধান দিগুণ করেন হুগো একিতিকে। ৫৩ মিনিটে তৃতীয় গোল করেন রায়ান গ্রেভেনবার্চ এবং ৬২ মিনিটে চতুর্থ গোলটি করেন মোহাম্মেদ সালাহ। দুই লেগ মিলিয়ে গ্যালাতাসারেকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে অলরেডরা।
অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনাতে আটালান্টাকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে বায়ার্ন। ম্যাচের ২৫ এবং ৫৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে জোড়া গোল করেন হ্যারি কেন, তাতে ব্যবধান দিগুণ করে বাভারিয়ানরা। ৫৬ মিনিটে জার্মান ক্লাবটির তৃতীয় গোল করেন লেনার্ট কার্ল, ৭০ মিনিটে লুইস ডিয়াজের গোল আসে। ৮৫ মিনিটে সফরকারীদের ব্যবধান কমান লাজার সামারজিক। দুই লেগ মিলিয়ে ১০-২ গোলে জিতেছে বায়ার্ন মিউনিখ।
টটেনহ্যাম হটস্পার স্টেডিয়ামে অ্যাটলেটিকোকে ৩-২ গোলে হারায় স্পার্স বাহিনী, ম্যাচের ৩০ মিনিটে রান্ডাল কোলো মুয়ানির গোলে লিড নেয় স্বাগতিকরা। ৪৭ মিনিটে সমতায় ফেরান জুলিয়ান আলভারেজ। ৫২ মিনিটে আবারও লন্ডনের ক্লাবটিকে এগিয়ে দেন জাভি সিমন্স। ৭৫ মিনিটে সফরকারীরা ডেভিড হ্যানকোর গোলে সমতা আনে ম্যাচ। ৯০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সিমন্স গোল করলে ম্যাচ জেতে টটেনহ্যাম। দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৫ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা।








