দেশের নামকরা রন্ধনশিল্পীদের উদ্যোগে ‘কুকিং অ্যাসোসিয়েশন’ হাঁটি হাঁটি করে ১২ বছরে পা দিয়েছে। জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপন হয়েছে সংগঠনের এক যুগ।
‘রান্না শিখুন-আত্মনির্ভশীল হন’ এ প্রতিপাদ্যে রান্নাকে এক শিল্প হিসেবে গড়ে তুলতে আজ থেকে ১১ বছর আগে শুরু হয়েছিল কুকিং অ্যাসোসিয়েশন। পুষ্টিযুক্ত খাবার তৈরি করে আত্মনির্ভরশীল নারী উদ্যোক্তা ও রন্ধনশিল্পী তৈরিতে কাজ করেছে এ অ্যাসোসিয়েশন।
এক যুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে কুকিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিশিষ্ট রন্ধন বিশেষজ্ঞ কেকা ফেরদৌসী বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী করার এক স্বপ্ন নিয়েই যাত্রা করা কুকিং অ্যাসোসিয়েশন আগামীতে স্বল্প আয়ের নারীদের নিয়ে বেশি কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনেরা বলেন, রান্নাকে বড় একটি প্লাটফর্মে নিয়ে যেতে কুকিং অ্যাসোসিয়েশনের অবদান অনস্বীকার্য।
জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্যাপন করা হয়েছে কুকিং অ্যাসোসিয়েশনের ১২ বছর পূর্তি। এ আয়োজনে দেশের নামকরা রন্ধনশিল্পী, বিশিষ্টজন ও কুকিং অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা ছিলেন।
রান্নাকে এগিয়ে নিতে কুকিং অ্যাসোসিয়েশনের নানা উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে রান্নাকে এগিয়ে নিতে কুকিং অ্যাসোসিয়েশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আগামীতে বাঙালী খাবারকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করাতে এই প্রতিষ্ঠান আরও বেশি কাজ করবে।
নানা প্রতিকূলতার মাঝে রান্নাকে শিল্পের কাতারে নিয়ে কাজ করে যাওয়া স্বপ্নবাজ দুই রন্ধন তারকা কেকা ফেরদৌসী ও মেহেরুন নেসা জানান, আগামীতে সমাজে পিছিয়ে পড়া নারীদের নিয়ে কাজ করবেন তারা।
১২ বছর পূর্তিতে রান্নাকে এগিয়ে নেওয়া ৪জন নারীকে ‘এক্সক্লসিভ অ্যাওয়ার্ড’ ও বিভিন্ন চ্যানেলে কুকিং প্রোগ্রামের পরিচালকসহ ৬০ জন রন্ধন শিল্পী ও নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ সম্মননা প্রদান করে কুকিং অ্যাসোসিয়েশন।








