বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা শুরু হয়ে গিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ব্রাজিল সেরা নাকি আর্জেন্টিনা তা নিয়ে চলছে তর্কাতর্কি। ছাড় দিচ্ছে না কেউ কাউকে। এই উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় প্রিয় দলের খেলার দিন। খেলায় হার-জিত থাকবেই, তা জানা সত্ত্বেও হেরে যাওয়ার ভয় চেপে বসে বুকে। হেরে গেলে প্রতিপক্ষের ‘পচানো’ সইতে হবে ভেবে দুশ্চিন্তা ও উত্তেজনা দুটোই বেড়ে যায়। কাঁপতে থাকে শরীর, ঘামতে থাকে হাতের তালু!
শরীর তো খেলা চেনে না, চেনে মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা। তাই প্রিয় দলকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসতে গিয়ে হৃদয়ের ক্ষতি করে ফেলেন অনেকেই। খেলা দেখার সময় হৃৎস্পন্দন অনেক বেড়ে যেতে পারে, যা হৃদযন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলে।
টেক্সাসের হস্টন মেথোডিস্ট হাসপাতালের চিফ কার্ডিওলজিস্ট উইলিয়াম জগবি এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘খেলার চলাকালীন সময় অনেক উত্তেজনা ও প্রত্যাশা থাকে। এই বিষয়গুলো হৃৎস্পন্দন এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক।’
কেন হৃৎস্পন্দন এবং রক্তচাপ বাড়ে? এই বিষয়ে চিকিৎসক বলেন, ‘শারীরিক বা মানসিক চাপে থাকলে অ্যাডরেনাল গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসরণ কয় যা রক্তচাপ ও হৃৎস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়।
চিকিৎসকের মতে, অধিকাংশের ক্ষেত্রেই খেলা দেখার সময় অস্থির হয়ে পড়া ক্ষতির কারণ হয় না। তবে যাদের হার্টের করোনারি আর্টারি (ধমনি) সরু কিংবা হৃদপিণ্ডের ব্যাধি আছে, তাদের টানটান উত্তেজনাপূর্ণ খেলা না দেখাই ভালো।







