আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ ৩২এ রোমাঞ্চকর ম্যাচে কেপ ভার্দের সিডনি লোপেস ক্যাব্রাল দুর্দান্ত একটি গোল করেছিলেন। সেই গোলটি ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘গোল অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রথমবার বিশ্বকাপে এসে ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ করল কেপ ভার্দে।
মিয়ামিতে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ম্যাচে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে ড্রিবল করে চোখ ধাঁধানো এক বাঁকানো শটে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন লোপেস ক্যাব্রাল। টপ কর্নার দিয়ে জালে বল জড়িয়ে ম্যাচটি ২-২ সমতায় ফেরান তিনি। আসরে মোট ৩০৮ গোলের মধ্যে ১২টি সেরা গোলের সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে জনমতের ভোটে ক্যাব্রালের গোলটি সেরা নির্বাচিত হয়েছে। উজবেকিস্তানের এলদোর শোমুরোদভ ও হাইতির উইলসন ইসিডোরের গোল দুটি যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান পেয়েছে।
ক্যাব্রাল আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ওই গোলটি নিয়ে বলেছেন, ‘বিপক্ষ খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে কাটানোর পরই কিছুটা ফাঁকা জায়গা দেখতে পাই এবং ভাবি একটা চেষ্টা করে দেখা যাক। আমি দুই পায়েই ভালো শট নিতে পারি। কোনাকুনি টপ কর্নারটি লক্ষ্য করে খুব জোরালভাবে শটটি নেই।’
‘যখন তাকিয়ে দেখলাম বলটি একদম টপ কর্নারের দিকে যাচ্ছে, নিজেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না! সতীর্থদের দিকে তাকালাম, সবাই চিৎকার করছে, মাথায় হাত দিয়ে আনন্দে আত্মহারা। আমি কোনকিছু না ভেবেই দৌড়াতে শুরু করি। পরে বুঝতে পারি বিশ্বকাপের মতো এত বড় মঞ্চে এত বড় দলের বিরুদ্ধে এমন এক অবিশ্বাস্য গোল করে ফেলেছি। আমি সত্যিই ভীষণ আনন্দিত।’
এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনার ম্যাক্সি রদ্রিগেজ, উরুগুয়ের ডিয়েগো ফোরলান, কলম্বিয়ার হামেস রদ্রিগেজ, ফ্রান্সের বেঞ্জামিন পাভার্ড এবং ব্রাজিলের রিচার্লিসনের মতো তারকাদের তালিকায় যুক্ত হলেন লোপেস ক্যাব্রাল।
মিয়ামি স্টেডিয়ামের ৬৫ হাজার দর্শক এবং বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী এই অবিশ্বাস্য মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছেন। যদিও রোমাঞ্চকর ম্যাচটি কেপ ভার্দে ৩-২ ব্যবধানে হেরে আসর থেকে বিদায় নিয়েছিল।







