এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার-আল বদর, গণহত্যাকারীদের ছবি প্রদর্শনীর প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও রাজাকারদের কুশপুত্তলিকা দাহন কর্মসূচি পালন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একদল প্রগতিশীল শিক্ষার্থী।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাত ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে একটি মশাল মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সালাম-বরকত হল সংলগ্ন সড়ক হয়ে ছাত্রদের আবাসিক হল শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ, ২১ নং হল ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল সংলগ্ন সড়ক ঘুরে পুনরায় বটতলায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে রাজাকারের কুশপুত্তলিকা দাহ ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা।
এদিকে, ছাত্রদের হল সংলগ্ন সড়ক প্রদক্ষিণের সময় হলগুলো থেকে মশাল মিছিলকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’, ‘শাহবাগী শাহবাগী’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে শোনা গেছে শিক্ষার্থীদের।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সংগঠক সোহাগি সামিয়া বলেন, “আমরা বারবার দেখেছি বাংলাদেশে রাজাকারদের আস্ফালন ঘটেছে। বারবার দেখেছি ‘৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকে ‘২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। জুলাই আন্দোলনের ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’, ‘কে বলেছে কে বলেছে, স্বৈরাচার স্বৈরাচার’, এ স্লোগানটি ব্যবহার করে তারা মুক্তিযুদ্ধের রাজাকার শব্দকে নরমালাইজড করার চেষ্টা করছে।
সোহাগি সামিয়া আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের রাজাকারদের নেতা হিসেবে মানে বলেই শিবির ও জামায়াত গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজাকারদের ছবি প্রদর্শন করেছে। আমরা বলতে চাই যারা রাজাকারদের হয়ে বাংলাদেশের অস্তিত্বকে বিলীন করে দিতে চায় তাদের অস্তিত্ব বাংলাদেশ থেকে বিলীন হয়ে যাবে। রাজাকারদের পুনর্বাসনের সকল অপচেষ্টা ও পায়তারা রুখে দেওয়া হবে।”








