যথেষ্ট প্রস্তুতি ছাড়া রাজস্ব বোর্ডের লক্ষমাত্রা বাড়ানো হঠাৎ করে বাস্তবায়ন কষ্টকর হবে বলে মনে করছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডি। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার সাথে বাস্তবতার তেমন ছোঁয়া নেই।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর সিপিডি কার্যালয়ে আয়োজিত বাজেট পরবর্তী তাৎক্ষণিত প্রতিক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এসব কথা বলেন।
এসময় প্রতিষ্ঠান থেকে আরও জানানো হয়, উচ্চ আয়ের কর আরোপের ধাপগুলো ইতিবাচক হলেও অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করতে ১৫ শতাংশ কর প্রস্তাব দুঃখজনক। ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার বিষয় নৈতিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।
এছাড়া এই বাজেট বর্তমান সময়ের সমস্যা ও সংকট সমাধানে বাজেট উপযুক্ত পদক্ষেপ ও দিক নির্দেশনা দিতে পারেনি। এই চ্যালেঞ্জিং সময় ও সংকট মোকাবেলায় এই গতানুগতিক বাজেট সমাধানযোগ্য নয় বলেও জানায় সিপিডি।
বাজেটে মূল্যস্ফিতি কমানো নিয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। এছাড়া মূল্যস্ফিতি ৯ থেকে এক বছরের মধ্যে সাড়ে ৬.৫ শতাংশে আনাটা চ্যালেঞ্জ। তবে বলা যায়, উদ্ভাবনী ও সাহসী পদক্ষেপ বাজেটে নেই, এটা গতানুগতিক বাজেট।
সিপিডি বলছে, আইএমএফ এর শর্ত মানতে গিয়ে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বেশি নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে তা আহরণ সম্ভব নয়। প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি, মূল্যস্ফিতি, রিজার্ভ ও রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা সাথে বাস্তব সূচকের কোন মিল নেই।








