পণ্যের ন্যূনতম মান নির্ধারণ করতে ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংকসের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ জাতীয় মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। বিএসটিআই এর এ উদ্যোগের ফলে সম্ভাবনাময় এই খাতটি আরও বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে।
এই বিষয়ে গত ২ জুলাই মঙ্গলবার বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক (কৃষি ও খাদ্য) এনামুল হক বলেন, এই মানদণ্ডটি একটি সাধারণ মান নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। ফলে উৎপাদক, বিপণনকারী ও ভোক্তারা উপকৃত হবেন। শুরুতে এই মান ঐচ্ছিক (ভলান্টারি) হলেও সময়ের সাথে সাথে এটিকে বাধ্যতামূলক করা হতে পারে।
তিনি আরও জানান, বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সভা করেছে; যেখানে এই মান নির্ধারণে বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করা হয়। মানসম্মত ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংকসে অবশ্যই সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়ামের মতো নানারকম খনিজ থাকা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সম্প্রতি ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংকসের উৎপাদন ও বিপণনে সারাদেশের জন্য একটি একীভূত মানদণ্ড চূড়ান্ত করা হয়েছে। কিছুদিন আগপর্যন্ত ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংকসের জন্য নির্দিষ্ট কোনো মানদণ্ড ছিলো না। অথচ পানীয়টি বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বেই স্বাস্থ্যগত সুবিধার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাই আগামীতে রপ্তানির জন্য সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে গড়ে তোলার উপযোগী করে মান নির্ধারণ করেছে বিএসটিআই।
এই পানীয় খেলোয়াড়, অ্যাথলিট কিংবা যারা পরিশ্রমসাধ্য কাজ করছেন তাদের জন্য বেশ উপকারী। বাংলাদেশে বৃহত্তর এনার্জি ও স্পোর্টস ড্রিংকস বাজারের প্রত্যাশিত সমন্বিত বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার (কমপাউন্ড অ্যানুয়াল গ্রোথ রেট – সিএজিআর) ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ; ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৯ সালে এ খাতের আকার দাঁড়াবে ১৮৫ দশমিক ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।







