জনপদ

সীমান্তে নিহত ব্যবসায়ীর লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ

নিহত ব্যবসায়ীর লাশ বিএসএফের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হচ্ছে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

সীমান্তে নিহত ব্যবসায়ীর লাশ বিএসএফের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হচ্ছে, উপস্থিত পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

ময়মনসিংহের ধোবাওড়া সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশকালে ভারতের অভ্যন্তরে মৃত্যুবরণ করা শেরপুরের ঔষুধ ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের মরদেহ আজ শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনা জেলার বাগমারা এলসি দিয়ে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষাকারি বাহিনী (বিএসএফ)।

নিহত রেজাউল করিম শেরপুর জেলার সদর উপজেলার আলিনাপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। শেরপুর শহরের নারায়ণপুর এলাকার হাসপাতাল রোডে তার একটি ওষুধের দোকান রয়েছে।

গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধার দিকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের মুন্সীপাড়া এলাকার বিজিবি ক্যাম্প দীগলবাঘ সীমান্ত এলাকায় ১১৩৯/৯ এস পিলারের কাছে ভারতীয় অংশে রেজাউল নিহত হন। পরে দমদমা ক্যাম্পের বিএসএফ তার মরদেহ নিয়ে যায়।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, রেজাউল স্বল্পমূল্যে ওষুধ আনার জন্য ওই দিন ভারতের প্রবেশ করার পরই বিএসএফের গুলি চালানোর শব্দ শুনতে পান তারা। তাদের ধারণা, বিএসএফের গুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে।

তবে, শনিবার সকালে বিএসএফের উদ্ধৃতি দিয়ে বিজিবির নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) জানিয়েছে, ৭ জন ভারতে অনুপ্রবেশকালে বিএসএফের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। সেসময় ৬ জন পালাতে সক্ষম হলেও রেজাউল একটি কালভার্ট হতে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে অচেতন হয়ে পানিতে তলিয়ে যায়। দ্রুত বিএসএফ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু ঘটে।

মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে বিজিবি নেত্রকোনা-৩১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস এম কামরুজ্জামান বলেন, আজ দুপুরে ভারতীয় সীমান্ত পুলিশের কাছ থেকে দুর্গাপুর থানার ওসি বাচ্চু মরদেহটি গ্রহণ করেছেন। এ সময় নেত্রকোনা-৩১ ব্যাটালিয়নের একটি টিম উপস্থিত ছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক একটি সুরতহাল করা হয়েছে। সুরতহালে মরদেহে কোনো গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরবর্তী পদক্ষেপগুলোর জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাচ্চু বলেন, আমরা মরদেহটি বিএসএফের কাছ থেকে বুঝে পেয়েছি। এই বিষয়ে থানায় মামলার কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে আপনাদের বিস্তারিত আপডেট দিতে পারব।

লাশ হস্তান্তরের সময় সেখানে উপস্থিত থাকা নিহত রেজাউল করিমের বোনজামাই মুকুল মিয়া বলেন, আমরা বিএসএফের কাছ থেকে মরদেহ গ্রহণ করেছি। তার শরীরে গুলির কোনো চিহ্ন দেখতে পাইনি। আমরা এখন নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর থানায় রয়েছি। পুলিশ তাদের বাকি কাজ করছে। গুলির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য নেত্রকোণা জেলা হাসপাতালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।

বিষয়:বিএসএফের গুলি

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…