ইতালিতে ধর্ষণের অভিযোগে ৯ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে ব্রাজিলিয়ান সাবেক ফরোয়ার্ড রবিনহোকে। দেশটির একটি আদালত তাকে সাজার এ রায় দিয়েছেন। তবে অভিযোগ ওঠার আগেই দেশে ফিরে আসায় নিজ দেশেই সাজা ভোগ করতে পারবেন ৪০ বর্ষী তারকা।
রিয়াল মাদ্রিদ ও এসি মিলানের সাবেক ফরোয়ার্ডের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। কিন্তু রবিনহো তার আগেই ব্রাজিলে চলে যান। এরপর ইতালিয়ান কর্তৃপক্ষ বিচারের জন্য ব্রাজিলের কাছে তাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করেন। ইতালির আবেদন প্রত্যাখ্যান করলেও একটি ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়েছেন, ব্রাজিলেই সাজা ভোগ করতে পারবে সাবেক ফুটবলার।
সুপিরিয়র ট্রাইব্যুনাল অব জাস্টিসের ১০ ভোটের মধ্যে আটটি পড়েছে রবিনহোর সাজার পক্ষে। এ আবেদনে রবিনহোকে দেশে গ্রেপ্তার এবং সেখানেই সাজা ভোগ করার পক্ষে রায় পড়েছে। ৪০ বর্ষী তারকার আইনজীবী এ রায়ের বিরুদ্ধে ফেডারেল সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারবেন।
৯ বছরের সাজাকে বর্ণবাদের ফলাফল উল্লেখ করে রবিনহো বলেছেন, ‘আমাকে ইতালিতে অন্যায়ভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, যা ঘটেনি তা দেখানোর জন্য আমার কাছে সমস্ত প্রমাণ রয়েছে। ইতালিতে চার বছর খেলেছি এবং বর্ণবাদের বিষয়গুলো দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।’
‘দুর্ভাগ্যবশত আজও এটি ঘটে চলেছে। ২০১৩ সালে ঘটনা ঘটেছিল এবং আমরা এখন ২০২৪এ আছি, যা আমাকে বিশ্বাস করতে বলে যে, এরা একই মানুষ যারা বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কিছুই করেনি। আমার বিচার যদি একজন শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তির জন্য হতো, কোনো সন্দেহ ছাড়াই তা সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো।’
মিলানের একটি নৈশ ক্লাবে ২০১৩ সালে আলবেনিয়ান এক যুবতীকে রবিনহোসহ ছয়জন সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। সাবেক এ ফুটবলার তখন এসি মিলানের হয়ে খেলছিলেন।
২০১৭ সালে রবিনহোকে ৯ বছরের কারাদণ্ড দেন ইতালির আদালত। সেই সাজা অনুমোদন করে ২০২২ সালে ব্রাজিল সরকারকে তা কার্যকরের অনুরোধ জানিয়েছিল ইতালি।








