২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ গড়াতে বাকি প্রায় ৪ মাস। বিশ্বকাপে খেলা আগেই নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। শেষ সময়ে স্কোয়াড গঠনে ব্যস্ত দলগুলো। এর আগেই সেলেসাওদের কোচ ১১ জন খেলোয়াড়ের ছোট একটি তালিকা করেছেন। যেখানে তিনি উল্লখ্যে করেন, সে খেলোয়াড়রা ফিট থাকলে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে থাকবেন তারা। তবে আশ্চর্যের বিষয় নেইমার জুনিয়রের নাম নেই সেই তালিকায়।
ব্রাজিলের গণমাধ্যম জানিয়েছে, ১১ জন খেলোয়াড়কে ইতিমধ্যে নিশ্চিতভাবে নির্বাচিত করেছেন আনচেলত্তি। তবে যদি বিশ্বকাপের আগে তাদের ফিটনেসে কোন ঘাটতি পরে সে ক্ষেত্রে দল থেকে ছিটকে যেতে পারেন তারা। যাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যালিসন বেকার, মারকুইনহোস, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহেস, ক্যাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারেস, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনহা, রদ্রিগো, এস্তেভাও, ম্যাথিউস কুনহা এবং গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি।
গত বছর ডিসেম্বরে অবশ্য কড়া হুশিয়ারি দিয়েছিলেন ইতালিয়ান এ কোচ। নেইমার কিংবা ভিনিসিয়াসদের মত তারকা খেলোয়াড় দলে রাখবেন না তিনি, যদি তারা শতভাগ ফিট না থাকেন। তার কাছে তারকা খ্যাতির চেয়ে ফিটনেসটাই মুখ্য বিষয়।
ব্রাজিলিয়ান এক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে সে সময় আনচেলত্তি বলেছিলেন, ‘আমাদের দলে অনেক উচ্চমানের খেলোয়াড় আছে। আমাকে তাদেরই বেছে নিতে হবে যারা শতভাগ ফিট আছে। আর এটা শুধু নেইমারের ক্ষেত্রে নয়, ব্যাপারটা ভিনিসিয়াস ক্ষেত্রেও হতে পারে।’
অন্যদিকে ডিসেম্বরেই হাঁটুর অস্ত্রোপচার হয় নেইমারের। সম্প্রতি তার উন্নতি হচ্ছে বলে জানান সান্তোসের কোচ হুয়ান পাবলো ভোজভোদা। তবে তাকে আবার মাঠে নামতে তাড়াহুড়ো করবেন না কোচ।
বৃহস্পতিবার ৩৪ বর্ষী নেইমার এ সপ্তাহের অনুশীলনে ফেরেন। ২২ ডিসেম্বর বাম হাঁটুতে আর্থ্রোস্কোপিক অস্ত্রোপচারের পর থেকে মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি ।
রোববার ক্লাব নরোয়েস্তেতে বিপক্ষে নেইমারের খেলতে পারবেন কিনা- সে বিষয় আর্জেন্টাইন এ কোচ বলেছেন, ‘সে ইতিমধ্যেই দলে ফিরে এসেছে। গোলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাকে ফিরে আসার জন্য ভালো অবস্থায় থাকতে হবে।’
‘সে বিশ্বকাপ চায়। তাকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে, প্রশিক্ষণে এককভাবে লড়াই করতে হবে। আমরা তাকে তাড়াহুড়ো করব না। আমিই প্রথম যার তাকে প্রয়োজন, তার সতীর্থদেরও। কিন্তু আমরা চাই সে সুস্থ থাকুক।’
এখন দেখার বিষয় বিশ্বকাপের আগে কতটুক ফিট থাকতে পারেন নেইমার। এছাড়াও তাকে দলে নেয়ার বিষয় কি পদক্ষেপ নিবেন কোচ আনচেলত্তি।








