বিদেশ থেকে সব হারিয়ে ফিরে আসা এক কর্মী ভাই বলেছিলেন, ‘আপনারা আমাকে আবার নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে সাহায্য করছেন ঠিকই, কিন্তু আমার সবচেয়ে উপকার হয়েছে ওই আপা যখন প্রথমে আইসা কথা কইছে!’
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এদের সেন্টারকে শরণার্থীরা ডাকে শান্তিখানা। আমাদের কাজে মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে জোর দেয়া একটা নতুন দিক। এটাতে মানুষ যেভাবে রেস্পন্ড করে, তা আসলেও আরও গবেষণার দাবি রাখে।
তো আমাদের ব্র্যাক পরিবারের এই মেন্টাল হেলথ কাউন্সেলররা নিজের কাজের বাইরে গিয়ে গত নয় মাস সাপোর্ট দিয়েছেন সাধারণ মানুষকে।
বন্যা হোক, বিমান দুর্ঘটনার পরে হোক, অগ্নিকাণ্ডের পরে বা আন্দোলনের পরে তরুণদেরকে, তারা ছুটে গেছেন বা ফোনে থেকেছেন।
ছবিতে থাকা ব্র্যাকের ৭০ জনেরও বেশি প্রশিক্ষিত মনোবিদ ও সাইকোসোশ্যাল কাউন্সেলর সহমর্মিতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে এই সেবা দিয়েছেন। তারা সাড়ে সাত হাজার কলের মাধ্যমে দুপুর থেকে রাত ২ টা পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ মিনিট সময় কাউন্সিলিং দিয়েছেন। ভীষণ মমতা নিয়ে তারা কাজটি করেছেন।
ধন্যবাদ দেয়ার অনুষ্ঠানে থাকতে পারিনি। এরা আমাদের নীরব কর্মী। অকুন্ঠ ধন্যবাদ।
ছবিতে সার্টিফিকেট হাতে যে মানুষগুলোকে দেখছেন তাদের অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ। সাধারণ মানুষকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিতে গতবছরের শেষে ব্র্যাক ‘মনের যত্ন’ নামে একটি মানসিক স্বাস্থ্যসেবার উদ্যোগ নেয় যা উদ্বেগ, বিষণ্ণতা, বা মানসিক চাপে থাকা ব্যক্তিদের জন্য বিনামূল্যে মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করে।
ছবিতে থাকা ব্র্যাকের ৭০ জনেরও বেশি প্রশিক্ষিত মনোবিদ ও সাইকোসোশ্যাল কাউন্সেলর সহমর্মীতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে এই সেবা দিয়েছেন। তারা সাড়ে সাত হাজার কলের মাধ্যমে দুপুর থেকে রাত ২ টা পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ মিনিট সময় কাউন্সিলিং দিয়েছেন। ভীষণ মমতা নিয়ে তারা কাজটি করেছেন। তাদের ধন্যবাদ জানাতেই একটা ছোট্ট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।
আগেই বলেছি, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘মনের যত্ন’ নামে এই হটলাইনটি গত বছর চালু করা হয়। ব্র্যাক, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট (বিআইইডি) এবং ‘নিরাময়’ নামের একটি ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় এটি পরিচালিত হচ্ছে। এই উদ্যোগ ও সেবায় জড়িত সবাইকে ধন্যবাদ। আপনারা অসাধারণ কাজ করেছেন।
মনে রাখবেন শরীরের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা ভীষণ জরুরি। আপনি বা আপনার পরিচিত কারও যদি মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সহায়তা প্রয়োজন হয় তবে ব্র্যাকের ‘মনের যত্ন’ উদ্যোগের হটলাইন নম্বরে (০৯৬৪৩-২৬২৬২৬) ফোন করতে পারেন অথবা নীরাময় পেশেন্ট অ্যাপটি ডাউনলোড করে এই সেবা নিতে পারেন।








