ম্যাচজুড়ে ভালোই করছিলেন নাসির হোসেন। তিন ওভারে ৭ রান খরচায় নেন এক উইকেট। ১৯তম ওভারে এসে ২৮ রান দেন। তিন চার ও দুই ছয়ে এ রান তোলেন সিলেট টাইটানসের মঈন আলী। শেষপর্যন্ত ম্যাচ হারে নাসির-মোহাম্মদ মিঠুনদের ঢাকা ক্যাপিটালস। পরে ঢাকা অধিনায়ক মিঠুন আফসোস করেছেন, নাসিরকে সেই ওভার করতে দেয়াই হয়েছে সবচেয়ে বড় ভুল। বিপরীতে ডেথ ওভারে স্পিনার পেয়ে ততটাই খুশি হয়েছিলেন ইংলিশ তারকা মঈন।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে স্বগতিক দল। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৮০ রানের সংগ্রহ গড়ে। জবাবে ৮ উইকেটে ১৬০ রানে থামে ঢাকার ইনিংস।
মিঠুন কোন রাখঢাক না রেখে বলেছেন, ‘এটা (নাসিরকে ১৯তম ওভারে আনা) আমার জীবনের অন্যতম বড় ভুল। আগে নাসির ৩ ওভারে ৭ রান দিয়েছে। মঈন ভাই উইকেটে আসে, ভেবেছিলাম বল গ্রিপ করবে বা নাসির মঈন ভাইকে আটকাতে পারবে। সফল হলে ভালো হতো। একইসাথে ওই সময় নাসিরকে বলে আনাটা ঠিক হয়নি। এটা আমার ভুল হয়েছে। যেহেতু আমার হাতে অপশন ছিল, অন্য অপশন কাজে লাগাতে পারতাম।’
নাসির প্রথম তিন ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে এক উইকেট নিয়ে মিঠুনের ভরসা হয়ে উঠেছিলেন। তাই তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ওভার বাকি থাকলেও তার হাতে বল তুলে দেন। ১৮ ওভার শেষে সিলেট টাইটানসের স্কোর ১৩৫ রান। তাদের দেড়শ রান হওয়া নিয়ে শঙ্কা। কিন্তু মঈন ১৯তম ওভারে তিন ছয় ও দুই চারে নেন ২৮ রান। শেষ ওভারে আরও দুটি ছক্কা মারে সিলেট, রান হয় ১৮০।
তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ওভার বাকি থাকলেও ১৯তম ওভারে নাসিরকে বল হাতে দেয়ায় অবাক হয়েছিলেন মঈন? বলেছেন, ‘না। আসলে আমার মনে হচ্ছিল (সে আসতে পারে), কারণ তার ওভার বাকি ছিল। ভেবেছিলাম অফস্পিনার আসতে পারে। অনেক খুশি হয়েছি অফস্পিনার তখন আসায় বা যেকোনো স্পিনার আসলেই বেশ খুশি হতাম। তার বল থেকে রান নেয়া বাদে আর কোন উপায় ছিল না আমার। আজকে হয়তো আমার দিন ছিল।’
বিপিএলে সিলেটের ঘরের দর্শকদের সামনে খেলে দলকে জেতানো বেশ স্পেশাল বলছেন মঈন, ‘হ্যাঁ অনেকটাই। যখন ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে খেলবেন অবশ্যই ব্যাপারটা দারুণ। আগে কুমিল্লার (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, বর্তমানে বিলুপ্ত) হয়ে খেলেছি, কখনও কুমিল্লাতে খেলিনি। এখানে সিলেটের দর্শকদের সামনে সিলেটের হয়ে খেলাটা দারুণ ছিল। এখানে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আমাদের জেতা দরকার ছিল। দলের জন্য চেষ্টা করেছি জয় এনে দিতে।’








