বিপিএলের আগের আসরগুলোতে গোপন রাখা হতো সম্প্রচার স্বত্ব ও স্পন্সরশিপের টাকার অংক। রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেও (বিসিবি) এসেছে পরিবর্তন। নাজমুল হাসান পাপনের জায়গায় বিসিবি প্রধান হয়েছেন ফারুক আহমেদ। পরিচালক পরিষদেও এসেছে পরিবর্তন। এমনকি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গভর্নিং বোর্ডও গঠন হয়েছে নতুন করে। নতুন মাত্রায় আয়োজন হতে প্রস্তুত ১১তম আসর। তবে পরিবর্তন হয়নি স্পন্সরশিপের টাকার অংক প্রকাশের ক্ষেত্রে। আগের আসরগুলোর মতো এবারও গোপনই রাখা হচ্ছে অর্থ পরিমাণ।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর মাঠে গড়াবে বিপিএলের ১১তম আসর। বুধবার মিরপুর-শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে লোগো উন্মোচন ও স্পন্সরশিপ প্রতিষ্ঠানের নাম জানিয়েছে বিসিবি। আসরের টাইটেল স্পন্সর হয়েছে ডাচ্- বাংলা ব্যাংক। সাথে পাওয়ার্ড বাই ও কো-স্পন্সর হিসেবে থাকছে ব্যাংকটির দুটি গ্রাহকপ্রিয় সেবা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস রকেট ও ই-ওয়ালেট নেক্সাসপে অ্যাপ। তবে জানা যায়নি টাকার অংক। বিশ্বের জমকালো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএলের সম্প্রচার স্বত্ব থেকে পাওয়া অংক প্রকাশ করা হয় নিয়মিতই।
সংবাদ সম্মেলনে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিনকে প্রশ্ন করা হলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। বলেছেন, ‘এটা বিজনেস সিক্রেট। তবে যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে।’
বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদীন অবশ্য বলছেন হিসেব খোলামেলা হওয়াটাই ভালো ব্যাপার, ‘হিসেব দেয়ার মধ্যে আমি কোনো সমস্যা দেখি না। ব্যক্তিগতভাবে খুব সাদাসিধে থাকতে পছন্দ করি, স্বচ্ছ থাকতে পছন্দ করি। বোর্ড কী চাচ্ছে তা নিয়ে আমি এখনও নিশ্চিত নই। আমার বলতে খুব ভালো লাগবে যে আমরা ১০০ কোটি টাকা লাভ করেছি। ১০০ কোটি লাভ হলে ৫০ কোটি বলবো না, আমি ১০০ কোটিই বলবো যদি লাভ করতে পারি। মনে করি, এটা খোলামেলা থাকাটাই ভালো, সেই চেষ্টায় থাকবো।’








