চট্টগ্রামে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে রংপুর রাইডার্সের জয়ের পথটা সহজ থাকলেও একসময় পরিণত হয়েছিল কঠিনে। জয় থেকে ৩ রান দূরে থাকতে দুই ব্যাটারকে হারিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল রংপুর। তবে হাসান মাহমুদ ও শামীম পাটোয়ারী হতাশ করেননি দলকে। তামিমের বরিশালকে ১ উইকেটে হারিয়ে আসরে টানা অষ্টম জয় পেয়েছে সাকিবের রংপুর।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে দিনে দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে বরিশাল। নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১৫১ রান করে। জবাবে ৩ বল ও ১ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে রংপুর।
গত ম্যাচেই প্লে-অফ নিশ্চত করেছে রংপুর রাইডার্স। এই জয়ে শীর্ষস্থানে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করলো তিস্তাপাড়ের দলটি। ১১ ম্যাচে ৯ জয়ে ১৮ পয়েন্ট তাদের। ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। রংপুরের সমান ম্যাচ খেলে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তিনে তামিমের বরিশাল।
১১ ম্যাচে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে চারে চট্টগ্রাম। ১০ ম্যাচে পাঁচ জয়ে পাঁচে খুলনা। ১১ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে সিলেট। আর তলানিতে দুর্দান্ত ঢাকা, তারা আসর শেষ করেছে মাত্র ১টি জয় নিয়ে।
বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন কাইল মায়ার্স। চারটি চার ও তিন ছক্কায় ২৭ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। তিনটি চার ও দুটি ছক্কায় ২০ বলে ৩৩ রান করেন তামিম ইকবাল। টম ব্যান্টন করেন ২৪ বলে ২৬ রান। বাকী ব্যাটারদের সবাই হয়েছেন ব্যর্থ।
রংপুরের হয়ে আলো ছড়িয়েছেন আবু হায়দার রনি। ৪ ওভারে ১২ রান খরচায় নিয়েছেন ৫ উইকেট। বিপিএলে বাংলাদেশের বোলারদের সেরা বোলিং এটি। আগের সেরা ছিল সাকিব আল হাসানের ১৬ রানে ৫ উইকেট।
এছাড়া হাসান মাহমুদ দুটি এবং সাকিব ও জেমস নিশাম একটি করে উইকেট নেন।
রানতাড়ায় নেমে রংপুরের সর্বোচ্চ রান করেন ব্রেন্ডন কিং। তিনটি চার ও চারটি ছক্কায় ২২ বলে ৪৫ রান করেন এই ক্যারিবীয়ান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন সাকিব আল হাসান। চারটি চার ও এক ছক্কায় করেন ১৫ বলে ২৯ রান। জেমি নিশাম করেন ১৭ বলে ১৮ রান। এছাড়া টম মুরিস করেন ১৭ রান।
বরিশালের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও ওবেদ ম্যাককয়। কাইল মায়ার্স দুটি, এছাড়া কেশব মহারাজ নেন এক উইকেট।








