পর্দা নামলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমি আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী উৎসবের। নাচ, গান, আবৃত্তি আর বিষয়ভিত্তিক আলোচনায় জমে উঠেছিল এবারের আয়োজন।
পহেলা বৈশাখ শুরু হওয়া এ উৎসব উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। শনিবার (২০ এপ্রিল) উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান হয়।
শহরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে সংস্কৃতিকর্মীরা এ উৎসবে অংশ নেন। এছাড়া লোকজ পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন বিক্রেতারা। মেলা প্রাঙ্গণে নানান ধরনের ২০টি লোকজ পণ্যের স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়।
উৎসব সমাপনীর আগের দিনের আয়োজনে আবৃত্তি পরিবেশন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৈন্দ গ্রামের বজলুর রহমান পাঠাগারের সদস্যরা। পাভেল রহমানের নির্দেশনায় আবৃত্তি পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন নুসরাত, নওরিন, তানহা, পিয়াল, ইফরান, অর্পণ, জয়া, জুলফা।
এছাড়া সাহিত্য একাডেমির সদস্যরা নাচ ও গান পরিবেশন করেন, ছিল বিষয়ভিত্তিক আলোচনাও। বিকেলে শুরু হওয়া আয়োজন চলে রাত ১০টা পর্যন্ত।
শনিবার সমাপনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি সচিব খলিল আহমদ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক ও কথাসাহিত্যিক নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীরসহ অনেকে। সভাপতিত্ব করেন সাহিত্য একাডেমির সভাপতি জয়দুল হোসেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৮৩ সালে সাহিত্য একাডেমি প্রতিষ্ঠার পর ১৯৮৭ সাল থেকে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সাহিত্য একাডেমি সাত দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব পালন করে আসছে, যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া তথা এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান উৎসবে পরিণত হয়েছে।
সাহিত্য একাডেমির সভাপতি জয়দুল হোসেন বলেন, গ্রাম বাংলার লোকজ-ঐতিহ্য, বিভিন্ন ধরনের লোকগান এবং লোকজ সংস্কৃতি প্রচার ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে বৈশাখী উৎসবের আন্তরিক প্রয়াসের পরিচয় মেলে। আমরা ৩৮ বছর ধরে এই উৎসব পালন করে আসছি। এই উৎসব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সবার উৎসবে পরিণত হয়েছে।







