শেরপুরে অপহরণের ৭ দিন পর কলেজছাত্র সুমন মিয়ার (১৮) মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১১ নবেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে শেরপুর শহরের সজবরখিলা এলাকা উত্তরা হাসপাতালের নিকটবর্তী এক পুলিশ সদস্যের বাসার উঠানে মাটি খুড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, শহরের বাগরাকসা এলাকায় বসবাসকারি শিক্ষক নজরুল ইসলাম, তার মেয়ে আন্নি আক্তার (১৯) এবং পুলিশের ছেলে রবিন মিয়া (২০)।
নিহত সুমন মিয়া শহরের কসবা বারাকপাড়া (নিমতলা) এলাকার কৃষক মো. নজরুল ইসলামের ছেলে এবং শেরপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। গত ৪ নবেম্বর সন্ধ্যায় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বাড়ি ফেরার পথে সুমন মিয়াকে শহরের বাগরাকসা কাজী বাড়ি পুকুরপাড় এলাকা থেকে অপহরণ করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, প্রেমঘটিত সম্পর্কের জের ধরে সুমনকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে হত্যার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্য মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিন জনকে আটকের পর সুমনকে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
সদর থানার ওসি মো. জুবায়দুল আলম বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে এজাহাভুক্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।







