রাজধানীর সায়েন্সল্যাব এলাকায় বিএনপির পদযাত্রা থেকে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় বিআরটিসি বাস ভাংচুর ও অগ্নিকাণ্ডের চেষ্টা করে তারা।
সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ থেকে ১৫ জন আটক আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার ২৩ মে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আশরাফ হোসেন।
তিনি বলেন, আজকে বিএনপির একটি পদযাত্রা ছিল পূর্ব নির্ধারিত। ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেল থেকে শুরু হয়ে পথযাত্রাটি আসার কথা ছিল সিটি কলেজ পর্যন্ত। খুব শান্তিপূর্ণভাবে তারা শুরু করেছিল। প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার লোক ছিলেন পদযাত্রায়। সামনের সারিতে যে সব নেতা-কর্মীরা ছিলেন তারা খুব ভালো আচরণ করেছেন। এ পর্যন্ত (সায়েন্স ল্যাব) এসে তাদের যা করার কথা ছিল তাই করেছেন। সব সিনিয়র লিডাররা চলে যায়।
ডিসি আরও বলেন, পদযাত্রা শেষের সারি থেকে কিছু ছেলে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। তারা ইট-পাটকেল মারে। ব্যানারের লাঠি দিয়ে পুলিশকে লাঠিপেটা করে। পুলিশও পাল্টা জবাব দেয়ার চেষ্টা করে। এরই মধ্যে তারা বিআরটিসি একটি বাসে আগুন দেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে বাসের গ্লাস ভাঙে।
রমনা বিভাগের ডিসি বলেন, সংঘর্ষ আমাদের বেশ কিছু পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি তারা না করলেও পারতো। এখন আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।
পুলিশ কত রাউন্ড ফাঁকাগুলির ছুড়েছে জানতে চাইলে রমনার ডিসি বলেন, সেটা এখন বলা যাচ্ছে না। এই ধরনের পরিস্থিতি কন্ট্রোলে আমাদের সিআরপিসি নিয়ম আছে, সেই নিয়ম অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করেছি। যাতে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি তারা কম করতে পারে।








