নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পাকিস্তানি ভাবধারায় দেশ পরিচালিত করার চেষ্টা করা জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া ও বিএনপি আজকে যদি ক্ষমতায় থাকত বাংলাদেশ আজকে গর্ব করে দাঁড়াতে পারত না। বাংলাদেশও পাকিস্তানের মত আজকে দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়ে যেত।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার হাত আছে বলেই বাংলাদেশ আজকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর আদর্শে পরিচালিত হচ্ছে বলেই আজ উন্নয়নের রোল মডেল। সমগ্র পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের উন্নয়ন।
বুধবার সকালে দিনাজপুরের বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনসিডি কর্ণার, বঙ্গবন্ধু আলোকচিত্র কর্ণার এবং প্যাথলজি’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী। উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বিরল উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
এসময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ হবে। বাংলাদেশ স্বাবলম্বী দেশ। আমরা যাদের সাথে যুদ্ধ করে এদেশ স্বাধীন করেছি সেই পাকিস্তানের অবস্থা কী? পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলে ‘পাকিস্তান দেউলিয়া হয়ে গেছে’। এ দেউলিয়া হওয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণ করে আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে এবং ভাষার জন্য যে রক্ত দিয়েছি, সে রক্ত বৃথা যায়নি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা গর্ব করে বলতে পারি যে যাত্রা আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুরু করেছিলেন, এ জাতিকে একটি সংগ্রামী জাতিতে পরিণত করতে তা ১৯৭৫ সালে তাকে হত্যার পর সেটি আর বাস্তবায়িত হয় নাই।
তিনি বলেন, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী যারা আমার মায়ের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, যারা আমাদের মা-বোনকে হত্যা নির্যাতন করেছে, বাড়িঘর জ্বালিয়েছে, গণহত্যা চালিয়েছে তারা পাকিস্তানি ভাবধারায় দেশ পরিচালনা করেছিল এবং বাংলাকে যেন তুলে ধরতে না পারি তার জন্য যত ধরণের কর্মকাণ্ড দরকার সেটি তারা করেছিল এবং এ ধারাবাহিকতা চলেছিল জিয়াউর রহমানের হাত ধরে, এরশাদের পথ ধরে এবং খালেদা জিয়া একই ধারায় চলেছে। আমরা তখন মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা শহীদদের কাঙ্খিত পথে পৌঁছতে পারিনি। তবে আজকে গর্ব করে বলতে পারি, আজ আমরা সেই কাঙ্খিত জায়গায় গিয়েছি।
বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. আফছানা কাওসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিরল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, বিরল পৌরসভার মেয়র সবুজার সিদ্দিক সাগর ও বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রমাকান্ত রায় সহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।








