কিশোরগঞ্জে বিএনপির ডাকা অবরোধের শেষ দিনেও রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করছে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার ২ নভেম্বর সকাল ১০ টার দিকে সদর উপজেলার কিশোরগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কের ডাউকিয়া কাটাবাড়ীয়া মোড়ে এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করে তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই বিএনপির নেতাকর্মীরা স্থান ত্যাগ করেন।
অবরোধ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলার বিএনপির আহবায় খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল , জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল আলম, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ নেভিন।
সকালে কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ সড়কের সতালে এলাকায় অবরোধের সমর্থনে সংক্ষিপ্ত মিছিল বের করে জেলা ছাত্রদল ও যুবদল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই সটকে পড়ে তারা। অবরোধে তেমন কোন প্রভাব না পড়লেও দূর পাল্লার সব সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে চলাচল করছে ছোট ছোট যানবাহন।
অবরোধের প্রথম দিন মঙ্গলবার সকালে জেলার কুলিয়ারচরের ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবরোধ চলাকালে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালালে ছয়সূতী ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি বিল্লাল মিয়া (৩২) ও ছাত্রদলের সহসভাপতি রেফায়েত উল্লাহ (২০) মারা যান। এ ঘটনায় ১৬ পুলিশসহ অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। এছাড়াও ওই সকালে জেলার ভৈরবে বিএনপি-আ’লীগ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষতা থামাতে পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। টিয়ার শেল ধোয়াই আহত আশিক মিয়া নামে চা বিক্রেতা রাতে ভাগলপুরের জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। বিএনপির দাবি চা বিক্রেতা আশিক মিয়া ভৈরব পৌর বিএনপির ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য।







