আগের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে এক ডজন গোল হজমের পর শুরুর একাদশে ছয় পরিবর্তন নিয়ে নামে ভুটান। তাতেও এড়ানো যায়নি হার। প্রতিবেশী দেশটির বিপক্ষে ৪-০ গোলে জিতে ফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছে নেপাল। আমিশা কারকি করেন হ্যাটট্রিক।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩-১ গোলে হারের পর রোববারের জয়ে নেপালের দুই ম্যাচে পয়েন্ট ৩। একটি করে ম্যাচ খেলে জয় তোলা বাংলাদেশ এবং ভারতেরও পয়েন্ট ৩ করে। দুই ম্যাচ হারা ভুটান ফাইনালের সমীকরণ থেকে ছিটকে গেছে।
রোববার দুপুরে কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের আট মিনিটে ভুটান গোলরক্ষককে একা পেয়ে জালে বল জড়িয়েছিলেন আমিশা কারকি। তার আগেই অবশ্য বেজে ওঠে অফসাইডের বাঁশি।
ম্যাচের ১৪ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে অনেকটা দৌড়ে বক্সে ঢুকে শট নেন দীপা শাহি। পা দিয়ে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক সোনাম পেলডেন বল প্রতিহত করে কর্নারের বিনিময়ে ভুটানকে রক্ষা করেন।
মিনিট পাঁচেক পর আর অফসাউডে কাটা পড়েননি আমিশা। গোলরক্ষককে পরাস্ত করে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে লক্ষ্যভেদ করে নেপালকে এগিয়ে দেন।
ম্যাচের ২৮ মিনিটে আবারও দীপার শট পা দিয়ে ঠেকান সোনাম। কয়েক সেকেন্ড পর দীপা ফের আক্রমণে উঠে বক্সে ঢুকলে বাজে অফসাইডের বাঁশি। পরের মিনিটে দীপার শট দারুণ দক্ষতায় সোনাম ফিরিয়ে দেন। ফিরতি বলে তিনি আবারও শট নিলে প্রতিপক্ষের একজন কর্নারের বিনিময়ে বিপদমুক্ত করেন।
সাত মিনিট পর আবার গোলের দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেন দীপা। গোলরক্ষক পা দিয়ে বল ফেরান। খানিক পর সোনাম পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসলে আমিশার সামনে ছিল প্লেসিং শটে সহজ গোলের সুযোগ। সময়মতো কিক নিতে না পারায় নিশানাভেদ হয়নি।
বারবার ভুটানের রক্ষণ অরক্ষিত হওয়া দেখা গেলেও ব্যবধান বাড়াতে ব্যর্থ হচ্ছিল নেপালের মেয়েরা। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে বল নিয়ে দৌড়ে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের ঝলকে জোড়া গোলের দেখা পান আমিশা।
বিরতির পর ৬০ মিনিটে সতীর্থের ক্রসে ফাঁকা পোস্ট পেয়েও বল উপর দিয়ে মেরে বসেন দীপা। কিছুক্ষণ পর দীপার বাড়ানো বলেই ডান পায়ের টোকায় গোল করেন নেপাল অধিনায়ক প্রীতি রাই। ৬২ মিনিটে গোলরক্ষকের এগিয়ে আসা দেখে অনায়াসে বল জালে জড়িয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন আমিশা।
ম্যাচের বাকি সময়ে উল্লেখযোগ্য আক্রমণ গড়ে ওঠেনি। ব্যবধান বাড়াতে পারেনি নেপাল। ৭ ফেব্রুয়ারি হিমালয়ের দেশটির প্রতিপক্ষ ভারত, ম্যাচ শুরু দুপুর ৩টায়।






