জাতীয় নির্বাচনের পর প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে বড় উত্থান হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-ডিএসই’র প্রধান সূচক বেড়েছে ২০০ পয়েন্ট। উল্লেখযোগ্য পরিমান লেনদেন বাড়ার পাশাপাশি বেশিরভাগ শেয়ারেরই দাম বেড়েছে।
রোববার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দিনের স্বাভাবিক লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর বেলা ১১টায় দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ হাজার ৬০০ দশমিক ৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। যা আগের কর্মদিবসের তুলনায় ২০০ দশমিক ৭২ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি।
দ্বিতীয় সূচক ডিএসইএস বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ১২৭ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট। আজ এই সূচক ৩০ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়েছে। শীর্ষ ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএস ৩০ সূচক বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ১৪৫ দশমিক ১৩ পয়েন্ট। সূচকটি বেড়েছে ৮৬ দশমিক ১৮ পয়েন্ট বা ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের আস্থা ফিরে আসায় দীর্ঘদিনের পতনমুখী শেয়ারবাজার আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরী হয়েছে।
পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ২০১০ সালে বড় ধ্বসের পর থেকেই পতনমুখী ধারায় দেশের শেয়ারবাজার। কিছুটা আশা তৈরী হয়েছিলো ৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর। টানা বেশ কিছুদিন চাঙ্গা ছিলো শেয়ারবাজার। পরবর্তীতে নানা নিয়মের বেড়াজালে বাজার অতিনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাওয়ার পর আবারো পতনের ধারায়ই চলে আসে শেয়ারবাজার। সম্ভাব্য রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় সাইডলাইনে চলে যান বিনিয়োগকারীরা। ১৭ বছরেরও বেশি সময় পর একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার আসার খবরে শুরুর দিনেই চাঙ্গা শেয়ারবাজার।
নর্দান ইউনিভার্সিটির পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ভিসি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় নতুন সরকারকে কিছু উদার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে পারলে শেয়ারবাজার নিজের গতিতেই আগাবে বলে মনে করেন তিনি।








