জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৬৩ জনের সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি এবং কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই ১৭ জন পেশাদার সাংবাদিকের সদস্য পদ স্থগিত করায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।
আজ বৃহস্পতিবার ৪ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতিতে বিএফইউজে’র সভাপতি ওমর ফারুক, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব শেখ মামুনুর রশীদ ও ডিইউজের সভাপতি সাজ্জাদ আলম খান তপু ও সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন এ ঘটনার নিন্দা জানান।
তারা বলেন, হঠাৎ করেই মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী ১৭ জন পেশাদার সাংবাদিকের জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এই ধরনের অগণতান্ত্রিক আচরণ অপ্রত্যাশিত।
তারা আরও বলেন, গত বছরের ১৮ নভেম্বর ৩৭ জন সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে সাবেক তিনজন সভাপতিসহ সাধারণ সম্পাদকের। নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় ৫ জন সিনিয়র সাংবাদিক সদস্যের। পরে আরও সাতজনের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়। এছাড়া গতকাল ৩ সেপ্টেম্বর আরও ৩৭ জনের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ জনে। কোন ধরনের পূর্ব নোটিশ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে একতরফাভাবে একের পর এক সদস্যপদ স্থগিতের ঘটনা নজিরবিহীন।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সামনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বাইরে রেখে একতরফা নির্বাচনের সব আয়োজন সম্পন্ন করতেই তাদের সদস্যপদ স্থগিত করা হচ্ছে কিনা সেই প্রশ্ন উঠেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, এধরনের ঘটনায় জাতীয় প্রেসক্লাবের দীর্ঘদিনের সুনাম ও ঐতিহ্য প্রশ্নবিদ্ধ করা হলো। জাতীয় প্রেসক্লাবের বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি নিজেরা প্রশ্নবিদ্ধ বলেই সংগঠনকেও বারবার তাদের অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করছেন। সাংবাদিকদের মধ্যে নানা বিষয়েই মত পার্থক্য থাকতে পারে তাই বলে কাউকে নিজেদের প্রতিপক্ষ ভেবে প্রতিহিংসার শিকারে পরিণত করা দুর্ভাগ্যজনক। জাতীয় প্রেস ক্লাবের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও সুনাম সমুন্নত রাখতে অবিলম্বে ৬৩ জন পেশাদার সাংবাদিকদের সদস্য পদের উপর চাপানো স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের দাবিও জানান নেতৃবৃন্দ।








